ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কৃষক আব্দুস সোবহানের জমি দখলের চেষ্টা ও ঘন ঘন জেল খাটানোর অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী আব্দুস সোবহানের কিশোর পুত্র সাব্বির হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, তিনি বাঘাডাঙ্গা মৌজায় পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত একটি ধানী জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। সেখানে ৩৫ বছর আগে স্থাপিত একটি সেচ পাম্প রয়েছে, যা দিয়ে নিজের চার বিঘা জমিসহ পার্শ্ববর্তী কৃষকদের জমিতে সেচ দেন। এই সেচ পাম্প তার পরিবারের আয়ের অন্যতম উৎস। তাদের শরিকানা জমি কিনে নিয়ে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের রমজান আলীর দুই ছেলে বাড়ি করতে চান। আর এ কারণে তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই জমির ওপর দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিলে তারা তাদের সেচ পাম্প ভেঙে ফেলেন এবং আশপাশের গাছ কেটে দিয়ে উল্টো কৃষক আব্দুস সোবাহানের নামে মিথ্যা ভূমি অপরাধ ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, এসব মামলায় পবিত্র রমজান মাসে একবার এবং ঈদুল আজহার আগে আরেকবার তাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়। ফলে তার ছোট ছোট শিশু সন্তানরা ঈদ করতে পারেনি। মিথ্যা মামলার কারণে জামিন পেলেও তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হন। জমি না দিলে তাকে আবারও গ্রেপ্তারের হুমকিতে দিচ্ছেন সালাহ উদ্দীন।
বিষয়টি নিয়ে নেপা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ওবায়দুল ইসলাম জানান, সালাহ উদ্দীন ও তার ভাই আব্দুল আলীম ওই জমি কিনে বাড়ি করতে চান। কিন্তু আব্দুস সোবাহান রাস্তা দিচ্ছে না। এ নিয়ে মূলত তাদের মধ্যে বিরোধ। বিরোধ নিষ্পত্তি করতে মহেশপুর আদালতের আইনজীবীরা ঘটনাস্থলে এসেছিলেন। তারপরও বিরোধ মেটেনি।
ঝিনাইদহ অফিস