রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ঝিনাইদহে গ্রাম আদালতে ১৬ মাসে নিষ্পত্তি ২ হাজারের বেশি মামলা

নিষ্পত্তির হার ৬৩ শতাংশ, আদায় এক কোটি ৭০ লাখ টাকা
  • আপলোড তারিখঃ ১৯-০৬-২০২৫ ইং
ঝিনাইদহে গ্রাম আদালতে ১৬ মাসে নিষ্পত্তি ২ হাজারের বেশি মামলা

তৃণমূল পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। আর এরই সুফল মিলছে ঝিনাইদহে। গত ১৬ মাসে জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের গ্রাম আদালতে দায়ের হয়েছে ২ হাজার ৪০টি মামলা। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ৬৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। মামলার বাস্তবায়নের হার ৯২ দশমিক ৯২ শতাংশ। এছাড়া আদালতের মাধ্যমে ভিকটিমরা পেয়েছেন এক কোটি ৭০ লাখ টাকা। গতকাল বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্প’ আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। কর্মশালার মূল প্রতিপাদ্য ছিল-গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজে বিরোধ নিষ্পত্তিতে সমন্বিত পরিকল্পনা।


স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গ্রাম আদালত সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা। এতে কোনো খরচ ছাড়াই বিচার পাচ্ছেন মানুষ। চেয়ারম্যানের প্রতি আস্থা না থাকলে ইউনিয়নের অন্য সদস্যরাও আদালতের প্রধান হতে পারেন। এতে তৃণমূলে ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে ন্যায় বিচার পৌঁছে দিতে গ্রাম আদালত কার্যকর হাতিয়ার। এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও ভূমিকা রাখবে।’


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.বি.এম. খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সহকারী পরিচালক হাবিবুর রহমান। এছাড়া কর্মশালায় অংশ নেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ কাজল, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, টেলিভিশন মিডিয়ার রাজিব হাসান, গ্রাম আদালতের জেলা ব্যবস্থাপক রহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা।


কর্মশালায় জানানো হয়, উচ্চ আদালত থেকে ১৬২টি মামলা প্রেরিত হয়েছে গ্রাম আদালতে। মামলাগুলোর মধ্যে ২৫ শতাংশে নারী বিচারপ্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছেন। ইতোমধ্যে ৫৭৭ জন নারী গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সুফল পেয়েছেন। সভাপতির বক্তব্যে উপ-পরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায় বলেন, ‘এই আদালতের কার্যক্রমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিচারপ্রাপ্তি সহজ হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে এই সেবা আরও প্রসারিত করতে হবে।’ 



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত