রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আমরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিলাম: জামায়াত আমির

  • আপলোড তারিখঃ ২৮-০৫-২০২৫ ইং
আমরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিলাম: জামায়াত আমির

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘদিন আমরা এমন একটি সুবিচারপূর্ণ রায়ের জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক মামলার বিচার পরিচালনার সময় আন্তর্জাতিক আইন ও দেশের অভ্যন্তরীণ আইনের কোনোটি অনুসরণ না করে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দিয়ে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘সেসময় সংবিধান কোনো বিষয় ছিল না, আইন কোনো বিষয় ছিল না। যাদের ইশারায় কোর্ট পরিচালনা করা হতো, তাদের ইচ্ছাই ছিল আইন; সেটা বৈধ হোক কিংবা অবৈধ হোক।’ গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।


জামায়াতের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম আপিল বিভাগের রায়ে খালাস পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে দলটি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।


ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গোটা বিচার প্রক্রিয়ার সময় দুটি টর্চার সেল গঠন করা হয়েছিল। একটার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘সেইফ হোম’, আরেকটার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘সেইফ হাউজ’। সেইফ হোমে ভিকটিম নেতাদেরকে নিয়ে নির্যাতন করে নাজেহাল করা হতো। সেখানে উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় সেইফ হোমে রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিনের পর দিন তাদের উপর অত্যাচার চালানো হয়েছে।’ অন্যদিকে সেইফ হাউজে এনে রাখা হতো যাদের সাক্ষী করা হতো। এসব মিডিয়ায় উঠে এসেছে।


তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠন এই বিচার প্রক্রিয়ার নিন্দা জানিয়েছে। তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তা আমলে নেয়নি। কারণ, তারা জানতো স্বচ্ছ বিচার হলে খুন করা যাবে না।’


জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের শহীদ, আহত ও পঙ্গু ভাই বোনদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। অনেক সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা পুরো কর্তব্য আদায় করতে পারিনি। আপনারা আমাদের ক্ষমা করবেন আমাদের কোনো আচরণে এবং কোনো কথা ও কাজের মাধ্যমে কষ্ট পেয়ে থাকলে যখন যেভাবে হোক। কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়, দল হিসেবেও আমরা দাবি করি না আমরা ভুলের ঊর্ধ্বে। এ সংগঠনের কোনো নেতাকর্মী বা সহকর্মীদের দ্বারা যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, কষ্ট পেয়েছেন, সবার কাছে বিনা শর্তে ক্ষমা চাই। আপনারা আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন।’



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত