দর্শনার মদনায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেশী খলিল ও জলিল নামের দুজনের ১৫ ও ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোর এ ঘটনা ঘটায়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টাও করা হয়েছে।
এলাকার সচেতন মহল জানায় স¤প্রতি সময় বাংলাদেশ বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় সারা দেশব্যাপী আন্দোলন বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে দামুড়হুদা উপজেলায় একই দিনে দুটি শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে গেলো।
মেয়েটির মা, দাদি ও ভাই জানান, অভিযুক্ত ওই দুই কিশোর তাদের প্রতিবেশী। বেকার ছেলে ইতোপূর্বে তারা সমাজের বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির পাশে ওই শিশু কন্যা খেলা করছিল। এসময় ওই দুই কিশোর প্রলোভন দেখিয়ে খেলার ছলে তাকে বাড়ির পাশের বাঁশ বাগানে শিশুটির মুখ চেপে ধরে নিয়ে যায়। বাঁশ বাগানের ভিতরে নিয়ে গিয়ে অপকর্মের চেষ্টা করে তারা হাত ও মুখ টিপে ধরে রাখে। এসময় শিশুটি চিৎকার করে উঠলে এলাকার সাধারণ মানুষ দ্রæত ছুটে গিয়ে দেখে শিশুটিকে উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী মেয়েটির মা বলেস, 'বিষয়টি আমরা জানার পরও লজ্জা শরমের ভয়ে চুপ ছিলাম। কিন্তু ইতোমধ্যে বিষয়টি এলাকাবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামের লোকজন ওই দুই কিশোরকে মাঠ থেকে তাড়িয়ে ধরে নিয়ে বেঁধে রাখে পুলিশে দেবার জন্য।'
পরে, জনৈক ইসরাফিল হোসেনসহ কয়েকজন শুক্রবার রাতে বসে সালিশ করে বিষয়টি মীমাংসা করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ইসরাফিল হোসেন বলেন, 'আমি বিচার করিনি। উভয়ের মধ্যে মীমাংসা করে দিয়েছি।'
এ বিষয়ে দর্শনা থানার ওসি শহীদ তিতুমীর বলেন, 'বিষয়টি আমি শুনেছি, লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র বলেন, 'এ বিষয়ে আমাকে জানানো হয়নি, তার পিতা মাতা আত্মীয় স্বজন কোনো অভিযোগ দিলে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।'
সমীকরণ প্রতিবেদন