দর্শনায় আবারও পাওয়া গেল বোমা সদৃশ বস্তু। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দর্শনা কেরু চিনিকল এলাকাসহ পৌর এলাকায় ১৩টি শক্তিশালী ককটেল বোমা উদ্ধার করা হয়। এর ২১ দিনের ব্যবধানে গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে দর্শনা মা ও শিশু হাসপাতালের পিছনে ইটখোলা নামক স্থান থেকে স্থানীয়রা একটি ‘বোমার’ সন্ধান পান। পরে দর্শনা থানায় খবর দিলে থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী এলাকাটি ঘিরে রেখেছে।
স্থানীয় এক কৃষক জানান, শুক্রবার সকালে তিনি জমিতে পানি দিচ্ছিলেন। একপর্যায়ে রাস্তার পাশে ঝোপের মধ্যে একটি সাদা ব্যাগ দেখতে পান। কৌতুহলবশত ব্যাগে কী আছে, তা দেখতে গিয়ে বস্তুটির সন্ধান পান। পরে স্থানীয় এক সাংবাদিককে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান।
দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহীদ তিতুমীর বলেন, ‘শুক্রবার সকালে সাধারণ মানুষ ওই এলাকায় একটি সাদা পলিথিনের ব্যাগে কাঠের গুড়ার ওপর লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি বোমা সদৃশ বস্তু দেখতে পান। পরে তারা আমাদের জানালে এলাকাটি আমরা ঘিরে রেখেছি। বস্তুটি উদ্ধারের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যাবে বোমা নাকি ককটেল।’
উল্লেখ্য, গত ১৩, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি দর্শনা কেরু চিনিকল এলাকা থেকে পৃথকভাবে ৬টি বোমা উদ্ধার করা হয়। তিন দিনের ব্যবধানে ২০ ফেব্রুয়ারি দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামে একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়ে গোটা এলাকা প্রকম্পিত হয়। পরে অভিযান পরিচালনা করে ওই এলাকা থেকে আরও ৬টি বোমা উদ্ধার করা হয়। পরে রাজশাহী র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়নের-৫ ইউনিট ও যশোর সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের বোম ডিসপোজাল ইউনিট তা নিস্ক্রিয় করেছিল। ওই সময় কেরু চিনিকল কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছিল।
সমীকরণ প্রতিবেদন