শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপদাহ অব্যাহত, সামান্য কমে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি রেকর্ড

  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০৩-২০২৫ ইং
চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপদাহ অব্যাহত, সামান্য কমে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি রেকর্ড

চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মৃদু তাপদাহ অব্যহত রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ করেই এ জেলার তাপমাত্রা বেড়ে সারা দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়। গতকাল শুক্রবার ১ ডিগ্রি কমে বেলা ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল মাত্র ৩৮ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্র বলছে, মার্চের শুরু থেকেই জেলার তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে। প্রথম দিকে দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রাতে ঠাণ্ডার অনুভূতি ছিল। তবে গত কয়েকদিন ধরে দিন ও রাতের উভয় সময়েই গরমের দাপট বাড়ছে। এদিকে, পরপর দু’দিনের অব্যহত মৃদু তাপদাহের কারণে জেলা শহরসহ ও গ্রামাঞ্চলেও দিনভর রোদে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর। যা শ্রমজীবী ও রোজাদার মানুষসহ প্রাণিকূলের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের বাসিন্দা শাওন কুমার বলেন, ‘মার্চের শুরু থেকেই এই জেলার তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। মধ্য মার্চেই এই জেলার বাসিন্দাদের মৃদু তাপদাহের কবলে পড়তে হলো। এপ্রিলে কী অবস্থা হবে, তা আন্দাজ করা যায়। সে সময় মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।’ তিনি বলেন, ‘এর থেকে রক্ষা পাওয়ার পথ, আমাদের গাছ কাটা কামিয়ে আনতে হবে। এবং একটি গাছ কাটলে অবশ্যই দুটির বেশি গাছ লাগাতে হবে। নয়ত এমন সময় দোরগোড়ায়, যখন তীব্র গড়ম সহ্য করেই প্রাণিকূলকে বেঁচে থাকতে হবে।’

কলেজ শিক্ষার্থী সাইফুল্লাহ আলামিন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার মধ্যরাত জুড়ে কুয়াশা পড়েছিল। ভেবেছিলাম শুক্রবার সারাদিন তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। তবে তাপমাত্রা একই রকম আছে। তৃষ্ণায় কষ্ট পেতে হচ্ছে। তীব্র গরমে রোজা রাখা খুব কষ্টকর হয়ে পড়ছে।’

এদিকে, জেলা বিভিন্ন স্থানে অস্বাভাবিক তাপমাত্রার কারণে স্বস্তির খোঁজে অনেকেই নানা উপায় অবলম্বন করছেন। বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক ডিপ টিউবওয়েলের পানিতে বেশ সময় নিয়ে গোসল করছেন অনেকে। কেউ কেউ গরম থেকে মুক্তি পেতে ভিজে গামছা ব্যবহার করছেন। চলমান তাপদাহ রোজাদারদের শারীরিক ঝুঁকি কিছুটা বাড়িয়ে তুলেছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান বলেন, ‘আরও কয়েকদিন তাপমাত্রা এরকমই থাকবে। এসময়ের মধ্যে মেঘ বা বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে ১৮ মার্চের পর তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। পরবর্তীতে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি তাপদাহ থেকে বাঁচতে দিনের বেলা রোদে না বের হওয়া, ছাতা ব্যবহার করা ও প্রচুর পানি পান করার পরামর্শ দেন। বিশেষ করে রোজাদারদের ছায়াযুক্ত জায়গায় থাকা এবং প্রয়োজনে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে বলেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

আরো ১১ বোয়িং বিমান কিনছে বাংলাদেশ