শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির বিশাল জনসভায় লোকে লোকারণ্য

  • আপলোড তারিখঃ ২০-০২-২০২৫ ইং
বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির বিশাল জনসভায় লোকে লোকারণ্য
  • আমরা ভারতের ও পাকিস্তানের দালালি করি না- বাবু জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু
  • আমরা জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকব- বাবু খান
  • নিজেদের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে দলের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হোন- শরীফুজ্জামান
    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির জনসভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, ‘দীর্ঘ ৬ বছর বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় জেলে রাখা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে স্লোপইজেনিং করেছে শেখ হাসিনা। অসুস্থ করে ফেলেছে বেগম খালেদা জিয়াকে। শেখ হাসিনা কি না করতে পারে। ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা হত্যা করেছে। এই ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার হত্যার দায়ে শেখ হাসিনা এবং তার দোসরদের ৫৭ বার ফাঁসি হবে। কেউ ঠেকায়ে রাখতে পারবে না। ফ্যাস্টিস শেখ হাসিনা হাজার হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করেছে। যে বিচার হচ্ছে, আগামীতে এই বিচারে শেখ হাসিনার যে কতবার ফাঁসি হয়, তার কোনো হিসাব নেই। শুধু শেখ হাসিনা নয়, তার দোসরদেরও বাংলার মাটিতে বিচার হবে।’
    গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠে জেলা বিএনপির আয়োজনে এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আমান উল্লাহ আমান। বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে বক্তব্য শুরু করে প্রায় ১৩ মিনিট বক্তব্য দেন তিনি।
    এসময় বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এবং স্বশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। লাখ লাখ ভাইয়েরা শহিদ হয়েছেন। মা-বোনেরা ইজ্জত দিয়েছেন। সেই জন্য আমরা পেয়েছিলাম স্বাধীনতা। ৯০ এর আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা পেয়েছিলাম স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ। বিগত ১৬ বছর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন হয়েছে। আমার ভাই, ছাত্র নেতা ইলিয়াস হোসেন-চৌধুরী আলম-সুমন গুম হয়েছেন। আপনারা মিথ্যা মামলা খেয়েছেন। আপনারা কষ্ট করেছেন। সেই কষ্টের ফসল, ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা পেলাম নতুন বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা বলেছিল, মুজিবের মেয়ে পালায় না, আওয়ামী লীগ পালায় না। এখন কোথায় তারা? গুষ্টিশুদ্ধ পালিয়েছে। বাংলাদেশের মাটিতে শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের আর জায়গা হবে না। বাংলার মানুষ জায়গা দেবে না।’
    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান আরও বলেন, ‘এই দেশ পুনর্গঠন করতে হবে। তারেক রহমান ৩১ দফায় বলেছেন দুইবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। যারা বিগত ১৬ বছর সংগ্রাম করেছে, সেই সকল সমমনা দলকে নিয়ে, আন্দোলনকারী দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। সেই তারেক রহমান বলার পর আজকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও সেই কথা বলছে। আমাদের সামনে কঠিন সময়। কঠিন সময়ে আপনাদেরকে প্রস্তুতি নিতে হবে। নির্বাচনের প্রস্তুতি, দেশ পুনর্গঠনের প্রস্তুতি নিতে হবে।’
    এসময় চুয়াডাঙ্গাবাসীর উদ্দেশ্যে আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জেলা চুয়াডাঙ্গা। চুয়াডাঙ্গার মাটি অত্যান্ত উর্বর। এই জনসভায় এসে দেখলাম, চুয়াডাঙ্গাও বিএনপির ঘাঁটি। গর্বিত চুয়াডাঙ্গার মানুষ আপনারা। চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্য রক্ষার জন্য যা যা করার দরকার, বিএনপি তা করবে। ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। আপনারা ঘরে ঘরে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সালাম পৌঁছাবেন। বাংলাদেশের প্রাণ তারেক রহমান। এক হয়ে কাজ করবেন। আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। তারেক রহমান বলেছেন ঐক্য, ঐক্য ঐক্য। ঐক্যবদ্ধ থেকে আপনারা নির্বাচন করবেন। আগামীর সরকার হবে খালেদা জিয়ার সরকার, তারেক রহমানের সরকার, বিএনপি সরকার, আপনাদের সরকার। জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের নেতৃত্বে আপনারা কাজ করবেন।’ তিনি বলেন, ‘রমজানে নিত্যপণ্যের দাম কমাতে হবে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আপনারা বিগত তিনবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন নাই। যুগে যুগে আন্দোলন করে মানুষ দাবি আদায় করেছে।’
    এদিকে, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির এই জনসভায় নেতা-কর্মীদের ঢল নেমেছিল। দুপুরের পর থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেল, সিএনজি, আলমসাধু, ইজিবাইকসহ নানা যানবাহনে করে নেতা-কর্মীরা জনসভাস্থল টাউন ফুটবল মাঠে আসতে শুরু করেন। সভা শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল বেলা ৩টা, তবে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় এক ঘণ্টা পর বিকেল ৪টায়। এর আগেই পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। জনসভা ঘিরে শহরের অতিরিক্ত হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। জনসভাস্থলের আশপাশের এলাকাসহ শহরের প্রবেশমুখগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। নেতা-কর্মীদের যানবাহন বিভিন্ন স্কুলের মাঠ, খালি জায়গা ও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সভা শেষে নেতা-কর্মীরা যখন ফিরে যেতে শুরু করেন, তখন যানজট আরও প্রকট হয়। পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লেগে যায়।
    জনসভায় নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যান চলাচল ও নিরাপত্তা রক্ষায় হিমশিম খেয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলেও জনস্রোত সামলানো ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। জনসভায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা। স্বেচ্ছাসেবীদের সমন্বয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চাপের মধ্যেও কোনো প্রকার বিকৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়ায় যান চলাচল স্বাভাবিক করতে সক্ষম হন।
    চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির উপ-কোষাধ্যক্ষ মাহমুদ হাসান খান বাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান বক্তা থেকে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু। প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা ভালো আছেন, জেনে ভালো লাগছে। আপনারা ভালো আছেন, কারণ ফ্যাসিবাদ বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিয়েছে। গত ৫ আগস্ট দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে খুনি হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে এবং সেই স্বৈরাচার বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু এক শ্রেণির নিন্দুকেরা বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নাকি বিএনপির কোনো ভূমিকা নেই, তারেক রহমানের নাকি ভূমিকা নেই। আমি বলতে চাই, আমরা ভারতের দালালি করি না, আমরা পাকিস্তানের দালালি করি না। আমরা শহিদ জিয়ার আদর্শে, বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমার সোনার দেশের সকল দেশের সঙ্গে লড়তে প্রস্তুত।’
    তিনি বলেন, ‘আমি নিন্দুকদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, যখন ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের ডিবি হারুণের ভাতের হোটেলে বন্দি করা হয়েছিল, তখন তারেক রহমান ছাড়া আর কেউ এ নিয়ে কোনো কথা বলেনি।’ জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু বলেন, ‘যখনন ছাত্ররা মাঠ ত্যাগ করতে শুরু করেছিল, তারেক রহমানের সৈনিকেরা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা দলের ব্যানার ত্যাগ করে সাধারণ মানুষের ব্যানারে মাঠে থেকে আন্দোলন চালিয়ে গেছে। ৮ দফার আন্দোলনকে আমরা এক দফায় পরিণত করেছিলাম।’
    তিনি বলেন, ‘আজ যারা তারেক রহমানের ভূমিকাকে অস্বীকার করছেন, তারা পিতার বখালে ছেলেদের মতো পিতার ভূমিকাকে অস্বীকার করছে। আগামী দিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সকল ষড়যন্ত্রকে উপক্ষা করে আমরা বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো নিশ্বয়ই।’
    জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, ‘২৪ এর জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার হাজার হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে নিজের হাত রক্তে রঞ্জিত করেছে, আমরা সেই স্বৈরাচার হাসিনাকে মাফ করব না। একইভাবে যারা ১৯৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের জীবন নিয়েছে এবং আমাদের মা-বোনকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছে, আমরা তাদেরকেও মাফ করব না। দেশ পরিচালনায় দায়িত্বে আনব না। এই দুই পক্ষকে বাদ দিয়ে আমরা জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকব।’
    জনসভার সঞ্চালক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘দলের দুঃসময়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ভাই এবং আমি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এই জেলায় বিএনপির হাল ধরেছিলাম। কঠিন সময়ে যখন আওয়ামী লীগের দুঃশাসন চরমে, তখন মামলা, হামলা, হুমকি, জেল-জুলুম উপেক্ষা করেই আমরা দলের পতাকা উঁচিয়ে রেখেছিলাম। সেই চরম দুর্দিনে দলের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আমরা জীবন বাজি রেখে লড়েছি, ত্যাগ স্বীকার করেছি। আজকের এই জনসভা প্রমাণ করে যে, আপনাদের ভালোবাসা, ত্যাগ ও অবিচল সাহসের কারণেই বিএনপি আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছে। আপনারা জানেন, এই বিশাল জনসভা বাস্তবায়নে আমাদের একটি টাকাও খরচ হয়নি। শুধুমাত্র মঞ্চ ও মাইকের খরচ ছাড়া বাকি সবকিছু আপনাদের ভালোবাসা, ঐক্য, আত্মত্যাগ ও ত্যাগস্বীকারের ফসল। এই জনসভার বিপুল উচ্ছ্বাস প্রমাণ করে, দুঃসময়ে আপনারা কী পরিমাণ দুঃশাসনের শিকার হয়েছেন।’
  • শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘আমি আপনাদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, নিজেদের মধ্যে সব বিভেদ, দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে দলের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হোন। মনে রাখবেন, আমাদের আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি। আজকের এই সমাবেশ শুধু একটি রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এটি আমাদের চলমান সংগ্রামের অংশ। আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি সংসদ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করা। এই লড়াই শুধু একটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়, বরং এটি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই।’
    তিনি বলেন, ‘আমাদের সংগ্রাম কখনোই শেষ হবে না, যতক্ষণ না আমাদের নেতা তারেক রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেবেন। সেই দিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে, আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ আপনাদের ঐক্য, সাহস ও ত্যাগই একদিন আমাদের বিজয়ের পথে এগিয়ে নেবে।’
    জনসভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. ওয়াহেদুজ্জামান বুলা, খন্দকার আব্দুল জব্বার সোনা, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা ফরিদুল ইসলাম শিপলু, সফিকুল ইসলাম পিটু, খালিদ মাহমুদ মিল্টন, দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজা আবুল হাসনাত, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিণ্টু, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম নজু, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান লিপটন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পল্টু, দর্শনা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ আলী, জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আখতার হোসেন জোয়ার্দার, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক মোকাররম হোসেন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি রউফ উর নাহার রিনা, জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফ উর জামান সিজার, জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাবলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি শরিকুল আলম বিলাস, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান মোমিন।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জাহানারা পারভীন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশীদ ঝণ্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ আবু তালহা। জনসভার শুরুতে প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহজাহান খান, জেলা আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাড. শামিম রেজা ডালিম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সৈয়দ হেদায়েত হোসেন আসলাম ও জেলা ওলামা দলের আহবায়ক ফজলুর রহমান ফজলু। পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন জেলা ওলামা দলের সদস্যসচিব মওলানা আনোয়ার হোসেন এবং গিতা পাঠ করেন কাজল।
    এদিকে, বিশাল এই জনসভায় জেলা বিএনপির সকল উপজেলা, পৌর, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা একযোগে অংশ নেওয়ায় জনসভাটি দলীয় শক্তি প্রদর্শনের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে ওঠে। বড় পরিসরের এই সমাবেশ জেলা রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


কমেন্ট বক্স
notebook

কার্পাসডাঙ্গায় কাচামাল ব্যবসায়ীর ছু*রিকাঘা*তে ফল ব্যবসায়ী মধু নি*হ*ত