জীবননগরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ওয়ার্কশপে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে যোগদান করেছে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকেরা। এদিন তারা বিদ্যালয়ে পাঠদান না করে ওই ওয়ার্কশপে যোগ দেন। এতে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রোববার জীবননগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়। ওয়ার্কশপে সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকসহ উপজেলার উপজেলার সাধারণ ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তবে ওই ওয়ার্কশপে যোগ দেওয়া শিক্ষকেরা উপজেলা শিক্ষা অফিস ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি নেননি। তারা বিদ্যালয়ের পাঠদান ফাঁকি দিয়ে ওয়ার্কশপে যোগ দেন।

এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে জীবননগর উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা কিছুই জানেন না বলে সময়ের সমীকরণকে জানান। অফিসের কর্মকর্তারা বলেন, কেউ তাদের কাছ থেকে ছুটি নেননি। আর তারা ওয়ার্কশপের ব্যাপারে কিছুই জানেন না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কয়েকটি বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওয়ার্কশপে যোগ দেওয়া কোনো শিক্ষক স্কুল থেকে ছুটি নেননি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসিনা মমতাজ বলেন, হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে ও কর্তৃপক্ষের অনুছাড়া কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার কোনো নিয়ম নেই। তবে টিও ও এটিওর নিকট থেকে অনুমতি সাপেক্ষে অংশ গ্রহণ করতে পারে।
গতকালের ওয়ার্কশপে চুয়াডাঙ্গার সোনালী ব্যাংক পিএলসি প্রিন্সিপাল অফিসার নাজমুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসিনা মমতাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহী যুগ্ম পরিচালক মোতাহার হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহীর সহকারী পরিচালক শাহিনুর আলম। ওয়ার্কশপে বক্তারা জাল নোটের বিস্তার ও প্রচলন প্রতিরোধে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন