প্রতিবেদক, আন্দুলবাড়ীয়া:
কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের পাঁকা দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য পদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। গত রোববার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ২৩০ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিন ১৮৩ জন। একটি ভোট বাতিল হয়েছে।
জীবননগর উপজেলার পাঁকা দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য পদে দুটি প্যানেল থেকে ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। রোববার বিকেল ৫টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বার। সঙ্গে ছিলেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার মফিদুল ইসলাম কিরণ ও মফিজুর রহমান।
ভোটে দাখিল শাখা থেকে অভিভাবক সদস্য পদে খাইরুল ইসলাম সর্বোচ্চ ৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একরামুল হক ৫৯ ভোট পান। ইলিয়াস রহমান ৬২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার হোসেন ৫৭ ভোট পান। আর সরদার ৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিল্লাল হোসেন ৪৫ ভোট পান।
এফতেদায়ী শাখা থেকে মিলন হোসেন সর্বোচ্চ ৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুল ইসলাম মাত্র ২৫ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন নূরুন্নাহার লাভলী। ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান, আন্দুলবাড়ীয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম মামুন, সাধারণ সম্পাদক এসএম নাসিম উদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক শেখ রাশেদুজ্জামান রাশেদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মানব বিষয়ক সম্পাদক ও সফল ছাত্রলীগ নেতা ও রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম মাস্টার, শাহাপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মনিরুজ্জামান, রায়পুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা ডিবি পুলিশের এসআই মুহিদ হাসান, জীবননগর থানার ডিএসবি আসাদ প্রমুখ। সার্বিক সহযোগিতা করবেন পাঁকা দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসার সুপার হযরত মাওলানা ওয়াহেদুজ্জামান। উল্লেখ্য. কে হবেন সভাপতি তা দেখার অপেক্ষায় এলাকাবাসী।
সমীকরণ প্রতিবেদন