ঝিনাইদহ অফিস:মহেশপুর উপজেলার গোয়ালহুদো গ্রামে পিপিএল খাম্বা ও তুষার সিরামিকের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের তুমুল সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল ও বর্তমান সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দীন মিয়াজির সমর্থকদের মধ্যে খালিশপুর বাজারে এই সংঘর্ষ হয়। এতে শহিদসহ ৪/৫ জন আহত হন। রাত ৯টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল। মহেশপুর থানার ওসি (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন উভয় গ্রুপকে নিয়ন্ত্রণ করতে কাজ করছিলেন বলে জানিয়েছিল। পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেন গোয়ালহুদো গ্রামের জিয়াউর রহমান জিয়া। অভিযোগ আছে, খালিশপুর বাজারে মাদকসহ নানা অপরাধমূলক কাজে তিনি ও তার লোকজন জড়িত। বৃহস্পতিবার রাতে পিপিএল খাম্বা ও তুষার সিরামিকের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র আওয়ামী লীগের চঞ্চল গ্রুপের সমর্থক ফিরোজের ভাই শহীদকে মারধর করে জিয়া গ্রুপের লোকজন। এ নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। খালিশপুর বাজারের ব্রিজের ওপর দুই গ্রুপ দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এসময় বাজারের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। মানুষ ভয়ে এদিক ওদিক ছুটোছুটি করতে থাকেন। খবর পেয়ে মহেশপুর থানার ওসি (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় গ্রুপকে নিয়ন্ত্রণ করা চেষ্টা করেন।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাবেক এমপি চঞ্চলের সমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরে গোয়ালহুদো গ্রামে পিপিএল খাম্বা ও তুষার সিরামিকের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। ওই আসনে নতুন এমপি নির্বাচিত হওয়ায় চঞ্চলের সমর্থকরা চাপে পড়েন। ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেত মরিয়া হয়ে ওঠে বর্তমান এমপি সালাহ উদ্দীন মিয়াজির সমর্থক গোয়ালহুদো গ্রামের জাহাঙ্গীর বিশ^াসের ছেলে জিয়া, রবি হুজুর ও মুস্তাক। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, তুষার সিরামিকে টাইলস-এর মধ্যে মাটি ভেজাল দেওয়া হয়। এ জন্য প্রতিদিন ৫০
সমীকরণ প্রতিবেদন