শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ঝিনাইদহে পাম্প নষ্টের অজুহাতে বোরো মৌসুমে পানি দিচ্ছে না জিকে সেচ প্রকল্প

  • আপলোড তারিখঃ ১২-০২-২০২৪ ইং
ঝিনাইদহে পাম্প নষ্টের অজুহাতে বোরো মৌসুমে পানি দিচ্ছে না জিকে সেচ প্রকল্প

আসিফ কাজল, ঝিনাইদহ:

পাম্প নষ্টের অজুহাতে চলতি বোরো মৌসুমে পানি দিচ্ছে না ঝিনাইদহের গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প। ফলে কৃষকদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে ঝিনাইদহ অংশের হাজার হাজার কৃষকের মাথায় হাত উঠেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, কুষ্টিয়ায় তিনটি পাম্পের মধ্যে দুটি পাম্প নষ্ট হওয়ায় ঝিনাইদহ ও মাগুরায় পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ এলাকার গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের প্রধান সেচ খালে ভরা মৌসুমে পানি নেই। গত মৌসুমে এই খালে কিছুটা পানি সরবরাহ করা হলেও এখনও পানি সরবরাহ করা হয়নি। বোরোর ভরা মৌসুমে খাঁ খাঁ করছে খালটি। এই খালের পাশেই ধানের আবাদ করতে ডিজেলচালিত সেচ পাম্প থেকে পানি নিচ্ছেন ওই এলাকার কৃষকেরা। সেচ পাম্পের পানি দিয়ে কোনো জমিতে চলছে প্রস্তুত আবার কোনো জমিতে চলছে ধানের চারা রোপণ। অথচ সেচ অন্যান্য বছর এই খালের পানি দিয়েই ধানের আবাদ করতেন তারা।

কৃষকেরা বলছেন, জিকে সেচ খালের পানি দিয়ে ধানের আবাদ করতে খরচ হয় ৩০০ টাকা। কিন্তু এখন ডিজেল চালিত সেচ পাম্পের পানি দিয়ে আবাদ করতে লাগবে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। এছাড়াও জিকের পানিতে ধানের ফলনও বেশি হয়। তাই ভরা এই মৌসুমে দ্রুত পানি সরবরাহের দাবি তাদের। গাড়াগঞ্জ এলাকার কৃষক আরিফ হোসেন বলেন, ভরা মৌসুমে জিকে খালে পানি না থাকায় চাষাবাদ মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে। তাই আমরা বোরো মৌসুমে যাতে ধানের আবাদ ঠিকমতো করতে পারি সেই জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে দ্রুত নষ্ট পাম্প মেরামত করে পানি সরবরাহের দাবি জানাচ্ছি।

গাড়াগঞ্জ এলাকার আরেক কৃষক আজাদ বিশ^াস বলেন, জিকে সেচ খালের পানি না দেওয়ায় আমরা সময় মতো ধান চাষ করতে পারছি না। তাই দ্রুত পানি পাম্প মেরামত করে পানি সরবরাহের দাবি করছি। দ্রুত পানি দিলে এলাকার ধান চাষিরা চাষ করতে পারবে। কৃষি উদ্যোক্তা সজিবুল ইসলাম বলেন, ভরা এই মৌসুমে দ্রুত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা না করা হলে আমরা ধানের ফলন কম পাবো। এতে করে কৃষকেরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তাই আমি দ্রুত সেচের পানি সরবরাহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করছি।

ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রধান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালেব বলেন, ‘আমরা পানি সরবরাহের চেষ্টা চালাচ্ছি। আশা করছি, দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য মতে, ঝিনাইদহ সদর, হরিণাকুণ্ডু ও শৈলকুপা উপজেলায় জিকে সেচ খালের আওতায় সেচ যোগ্য জমি রয়েছে ২৭ হাজার হেক্টর।’



কমেন্ট বক্স
notebook

কার্পাসডাঙ্গায় কাচামাল ব্যবসায়ীর ছু*রিকাঘা*তে ফল ব্যবসায়ী মধু নি*হ*ত