জীবননগরে সাবেক ইউএনও’র বিরুদ্ধে সরকারি ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
- আপলোড তারিখঃ
০৯-০২-২০২৩
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদক:
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের (আশ্রয়ণ-২) ঘর নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে জীবননগর উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মো. আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অনিয়ম তদন্তের শুনানি শুরু হয়েছে। শুনানিতে আরিফুল ইসলামকে নিজ অর্থায়নে ঘরের মেঝে ঠিক করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতঃমধ্যে মেঝে মেরামতের কাজ শুরু করেছেন তিনি।
একটি সূত্রে জানা গেছে, শুনানিতে সাবেক ইউএনও আরিফুল ইসলাম, বর্তমান জীবননগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তিথি মিত্র, জীবননগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, ঘর নির্মাণের মিস্ত্রি মহিদুল ও আনোয়ারকে ডাকা হয়েছিল। শুনানিতে সাবেক ইউএনও আরিফুল ইসলামকে নিজ অর্থায়নে ঘরের মেঝে সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী করে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। ইতঃমধ্যে মেঝে চটিয়ে আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ঘুগরাগাছীতে ২০টি ঘর ঠিক করে দিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে বাকি ৬৫টি ঘরের মেঝে ঠিক করে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তবে ঘরের মেঝে ঠিক করার জন্য কে টাকা দিচ্ছেন, এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য দিতে রাজি হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কেডিকে ইউনিয়নের অর্ন্তগত হাইস্কুল পাড়ায় অবস্থিত আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরের মেঝে মেরামতের কাজ চলছে। কাজের তদারকি করছেন মহিদুল মিস্ত্রি ও আনোয়ার। কাজের টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে মিস্ত্রিরা বলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাঁদের বিল দিচ্ছেন। ঘরের উপকারভোগীরা বলেন, ঘরের মেঝেতে ইট দেওয়ার কথা ছিল। তবে ইটের পরিবর্তে পলিথিন দেওয়া হয়েছিল। এখন মেঝে চটিয়ে ইট দেওয়ার পর ঢালাই করে ফিনিশিং দেওয়া হচ্ছে।
টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে জীবননগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারবেন না। জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (বর্তমান) রোকুনুজ্জামান বলেন, ঘর মেরামতের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে কোনো অর্থ দেওয়া হচ্ছে না। চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, শুনানি চলমান রয়েছে। ইতঃমধ্যে কয়েকজনের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।
কমেন্ট বক্স