চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গায় দুজনের আত্মহত্যা!
- আপলোড তারিখঃ
২৭-০১-২০২৩
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ও আলমডাঙ্গায় পৃথকস্থানে নাসিমা খাতুন (১৫) নামের এক কিশোরী ও শাপলা খাতুন (২৫) নামের অপর এক যুবতীর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার আলুকদিয়া ও আলমডাঙ্গার নাগদাহ ইউনিয়নের ভোলারদাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাসিমা খাতুন চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর আলুকদিয়া চকপাড়ার নজরুল ইসলামে মেয়ে ও শাপলা খাতুন আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের ভোলারদাইড় গ্রামের মৃত আবু বক্করের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বেলা ৩টার দিকে নিজ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবা-মায়ের ওপর অভিমান করে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওঁড়না পেচিয়ে ফাশ দেন নাসিমা খাতুন। এসময় পরিবারের সদস্যরা তার কোন শাড়া না পেয়ে ঘরের মধ্যে তাকালে নাসিমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ছয়টার দিকে নাসিমার মৃত্যু হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা আমঙ্কাজনক অবস্থায় নাসিমাকে জরুরি বিভাগে নেয়। তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি রাখা হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তার মৃত্যু হয়।’
এদিকে, গত বুধবার রাতে ভোলারদাইড় গ্রামে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে শাপলা খাতুন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা শাপলা খাতুনকে জুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত নিচে নামায়। এসময় স্থানীয় এক চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে শাপলাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শাপলার ভাই আনারুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বোন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলো, তার ওপর ছিলো জ্বিনের আছর। মাঝে মাঝে সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতো। পরিবারের কারও সঙ্গে তার কোনো রাগ অভিমান বা ঝগড়া হয়নি। রাতে স্বাভাভিক ভাবেই সে নিজ ঘওে ঘুমাতে যায়। সকালে মা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করে। এসময় প্রতিবেশিদের সহায়তায় তাকে নিচে নামানো হয়। গ্রামের এক চিকিৎসককে খবর দিলে সে বাড়িতে এসে বোনকে মৃত ঘোষনা করেন।’
কমেন্ট বক্স