চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু
- আপলোড তারিখঃ
০৭-০৯-২০২২
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শাহিন মিয়া (৩০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়। পরে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহিন মিয়া চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র গ্রামের মোকসেদ আলীর ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেল চারটার দিকে পরিবারের সদস্যরা শাহিন মিয়াকে জরুরি বিভাগে নেয়। পরিবারের সদস্যরা জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসককে জানায় শাহিন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন। পরে তারা শাহিনকে দ্রুত উদ্ধার করে হাপসাতালে নিয়ে আসে। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহিনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। হাপসাতালে নেওয়ার পূর্বে শাহিনের মৃত্যু হয়।
নিহত শাহিনের প্রতিবেশী তোতা মিয়া জানান, ‘শাহিনের কবুতরের ঘর থেকে একটি বেজি মাঝে মধ্যেই কবুতর ধরে নিয়ে যায়। গতকাল দুপুরে বেজিটি আবার তাদের কবুতরের ঘরে ঢুকলে শাহিন বেজিকে মারার জন্য কবুতরের ঘরের কাছে যায়। বেজিটি মারার সময় কবুতরের ঘরের ওপরে থাকা বৈদ্যুতিক তারের হাত লেগে সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এসময় শাহিনের স্ত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শাহিনকে মৃত ঘোষণা করেন।’
নিহত শাহিনের ছেলে ইয়াসিন মিয়া বলে, ‘দুপুরে আমার চাচা মোবাইলে কল দিয়ে জানায় আমার বাবা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে। এসময় আমি হাসপাতালে এসে জানতে পারি বাবা মারা গেছে। তিনি বিস্কুট বিক্রির পাশাপশি মাঠের কাজও করতেন।’
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জুবাইদা জামাল জয়া বলেন, ‘বিকেল চারটার দিকে পরিবারের সদস্যরা অচেতন অবস্থায় শাহিন মিয়াকে জরুরি বিভাগে নেয়। তারা জানায় শাহিন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। তবে জরুরি বিভাগে আমরা তাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। এসময় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বেই তার মৃত্যু হয়।’
কমেন্ট বক্স