বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ঝিনাইদহে সেফটিক ট্যাংকে নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আদালতে খুনের দায় স্বীকার করে জবানবন্দী

  • আপলোড তারিখঃ ০৪-০৬-২০১৭ ইং
ঝিনাইদহে সেফটিক ট্যাংকে নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আদালতে খুনের দায় স্বীকার করে জবানবন্দী
`death-body-recovar`ঝিনাইদহ অফিস: ঝিনাইদহ শহরের উপশহরপাড়ায় নিহত আনোয়ারা খাতুনের খুনের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। পাওয়ানা টাকা চাইতে গিয়ে খুন হন আনোয়ারা। নিখোঁজের ৩ দিন পর সেফটিক ট্যাংক থেকে আনোয়ারার লাশ উদ্ধারের পর আটক নারী পারুলা বেগম আদালতে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দীতে এ সব তথ্য জানিয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ঝিনাইদহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কাজী আশরাফুজ্জামানের কাছে পারুলা বেগম হত্যার কথা স্বীকার করে এ জবানবন্দী দেন। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ জানান, উপ-শহর পাড়ার আব্দুর রহিমের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে এনজিওর কিস্তির টাকা দিতে পারুলা বেগমের বাসায় যান। সেখানে আগের পাওয়ানা টাকা নিয়ে ঝগড়া হলে পারুলার ছেলে আনোয়ারাকে মারধর করে। এরপর জ্ঞান ফিরে না আসলে তাকে দড়ি দিয়ে হাত পা বেধে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখে। লাশ পচে গন্ধ বের হতে থাকলে গত বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পাশে একটি সেফটি ট্যাংকে লাশ লুকিয়ে রাখে পারুলা। এদিকে বোন নিখোঁজের পর আনোয়ারা বেগমের ছোট ভাই শাহজাহান আলী ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি সাধাণর ডায়েরী করেন। যার নং-১৪৬৩। গত শুক্রবার সকালে উপ-শহরপাড়ার খাইরুল মাষ্টারের সেফটিক ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় রেক্টিফাইড স্পিরিট পানে বিষক্রিয়া ও মৃত্যু প্রতিরোধে আলোচনা সভা