বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

যক্ষ্মা প্রতিরোধে আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে

  • আপলোড তারিখঃ ১৩-০৮-২০২০ ইং
যক্ষ্মা প্রতিরোধে আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে
চুয়াডাঙ্গায় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে নাটাবের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম (নাটাব)-এর উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় চুয়াডাঙ্গা জেবুন্নেছা স্কুল অব এডুকেশন প্রাঙ্গনে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। নাটাব চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির সভাপতি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শামীম কবির। তিনি এই কর্মশালা প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণও প্রদান করেন। প্রশিক্ষণ প্রদানকালে ডা. শামীম কবির বলেন, সাধারণত বদ্ধ, স্যাঁত স্যাঁতে, ঘনবসতিপূর্ণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যেই যক্ষ্মা বা টিবি রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। যক্ষ্মা বা টিবির জীবাণুর সংক্রমণ বৈশিষ্ট্যের কারণেই এমনটি হয়। এ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতার মাত্রা কম থাকায় এ রোগের বিভিন্ন লক্ষণ বা উপসর্গ ধাপকে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর সিংহভাগেরই তেমন ভালো কোনো ধারণা নেই। মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবার কিউলোসিস নামের এক ধরনের জীবাণু থেকে এ রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত রোগীর কফ থেকে এ রোগের জীবাণু একজনের দেহ থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করে। এ রোগের কোনো নির্দিষ্ট সুপ্তকাল নেই। যেসব রোগী ৩ সপ্তাহের বেশি জ্বরে ভোগে তাদের ৩৩ শতাংশ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে। যাদের কাছ থেকে যক্ষ্মা রোগ ছড়াতে পারে, তাদের বলা হয় ‘ওপেন কেস’। এদের কফ থেকে সব সময় জীবাণু বাসাতে ছড়িয়ে পড়ে। তাই এদের সাথে চলাফেরা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। রোগীর হাঁচি-কাঁশির সঙ্গে সাধারণত রোগ জীবাণু বাইরে আসে। রোগীর অন্য কোনো জিনিস যেমন থালা বাটি ও পরিধেয় বস্ত্রাদির মধ্যে দিয়ে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এক সময় বলা হতো যক্ষ্মা হলে রক্ষা নাই, এখন আর এই কথাটির ভিত্তি নাই। এখন যক্ষ্মা সম্পূর্ণরুপে ভালো হয়। যক্ষ্মা প্রতিরোধে আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে।’ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সোহরাব হোসেন। নাটাব চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ডা. আফসার উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুল ইসলাম সেলিমের পরিচালনায় অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা একাডেমি স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক সেলিনা পারভীন, আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, মাখালডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।


কমেন্ট বক্স
notebook

ঝিনাইদহে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৩টি পুকুর বেদখল