অসহায়দের জন্য হাশেম রেজার হটলাইন চালু
- আপলোড তারিখঃ
১৪-০৫-২০২০
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদন:
করোনাভাইরাসের ইস্যুতে লকডাউনের পর থেকে জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলা এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের তিতুদহ, বেগমপুর, গড়ইটুপি, নেহালপুর ইউনিয়নসহ ২০টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসম্পাদক হাশেম রেজা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুস্থদের পাশে থাকতে নির্দেশনা দেওয়ার পর থেকেই ৮ মার্চ থেকে তিনি ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিদিনই দুস্থ অসহায়দের সাহায্যে করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে ১১ হাজার পরিবারকে খাবার দিয়েছেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসনের হাতেও সহযোগিতা তুলে দিয়েছেন। এর মধ্যে দামুড়হুদা ইউএনওকে ৩ শ প্যাকেট খাবার, জীবননগর ইউএনওকে ২০ বস্তা চাল ও আট বস্তা আলু। এ ছাড়া জেলা পুলিশ সুপারকে দিয়েছেন ৫০ বস্তা ডাল। সরকারি এক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ৬০ জন দুস্থ মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ প্রতিদিনই এলাকার মানুষকে মাস্ক, সাবান, হ্যান্ড স্যানেটাইজার, চাল, আলু, পেঁয়াজ, ডালসহ লকডাউনের সময়ে প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে যাচ্ছেন হাশেম রেজা। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দুঃসময়ে কর্মহীন ও অসহায়দের জন্য হাশেম রেজা চালু করেছেন ‘হটলাইন, সহযোগিতা। অসহায় মানুষেরা ০১৭১১-১৩৫৫১৭ তাঁর ব্যক্তিগত এই মোবাইল নম্বরে ফোন দিয়ে সহযোগিতা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে হাশেম রেজা বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পরই আমি নিজ এলাকায় ফিরে আসি। ১৮-২২ মার্চ পর্যন্ত মাইকে করোনা সচেতনতা প্রচারণা চালিয়েছি সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য। এরপর থেকে শুরু করেছি মাস্ক, সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ। দিয়ে যাচ্ছি কর্মহীন অসহায়দের চাল, আলু, পেঁয়াজ, ডালসহ নানা সহযোগিতা। দেড় মাস ধরে আমার এ কার্যক্রম চলছে। খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ চলমান রয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমি অসহায়দের পাশে আছি। চালু করেছি হটলাইন সেবা। আমার ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করেও অসহায়রা সহযোগিতা নিতে পারবেন।’
কমেন্ট বক্স