ফোন দিলেই বাসায় পৌঁছে যাচ্ছে খাদ্য সহায়তা
- আপলোড তারিখঃ
০৫-০৪-২০২০
ইং
হাত পাততে পারেন না যাঁরা, তাদের নিয়ে চুয়াডাঙ্গার এসপি জাহিদ-এর উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারি রূপ ধারণ করায় বাংলাদেশে এ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত, ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে গরিব, দিনমজুর, নি¤œ আয়ের শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পরিবারের ভরন-পোষণ যোগাতে পারছে না। এ ধরনের মানুষের সাহায্যার্থে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। জেলা পুলিশের প্রত্যেকটা গাড়িতে খাবারের প্যাকেট রাখা হচ্ছে। প্রতিদিনই চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকার কাজহীন অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ অফিসে সহায়তা দেওয়া তো হচ্ছেই। আবার এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা নি¤œ মধ্যবিত্ত, কোথাও হাত পাততেও পারেন না, আবার এই কঠিন সময়ে কোনো কাজও নেই। চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের কাছে ফোন দিলেই বা একটি ম্যাসেজেই তাঁদের বাড়িতেও খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। জেলা পুলিশের তৈরি করা বিশেষ প্যাকেটে ৩ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি আলু, ১ লিটার সয়াবিন তৈল, ৫০০ গ্রাম লবন, ২৫০ গ্রাম পিয়াজ, ১০০ গ্রাম গুড়া হলুদ, ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচসহ প্রায় ৭ কেজি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী থাকছে এসব প্যাকেটে।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রত্যেক সামর্থবানকেই এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের এখন মানবিক হওয়ার সময়। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা চেষ্টা করছি সাধারণ মানুষের পাশে থাকার। একটু চেষ্টা করা হচ্ছে সাহায্যও যেন পরিপাটিভাবে যায়। এজন্য বিশেষ কিছু প্যাকেট তৈরি করিয়েছি। তাতে করেই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। যতদূর সম্ভব জেলা পুলিশ মানুষের পাশে থাকবে। এখন পুলিশের প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাচ্ছে। পুলিশ এখন জনতার।’
কমেন্ট বক্স