করোনাভাইরাস থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় প্রশিক্ষণ
- আপলোড তারিখঃ
২৩-০৩-২০২০
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার সময় করোনাভাইরাস থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের আয়োজনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় জেলার স্বাস্থকর্মীদের রোগীদের চিকিৎসার সময় করোনা থেকে নিজেদের সুরক্ষায় পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্টের (পিপিই) ব্যবহার এবং সন্দেহভাজন রোগীদের করোনা পরীক্ষার জন্য সোয়াব সংগ্রহের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম ফেলো ডা. ওমর কাইয়ুম এবং ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম ফেলো ডা. সালেহিন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় চুয়াডাঙ্গা জেলার চার উপজেলা থেকে ৩৯তম বিসিএসের দশজন সহকারী সার্জন ও ৪ জন ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ানকে (প্যাথলজি) কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস)-এর ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন চুয়ডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সিনিয়র সার্জারি কনসালট্যান্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহাবুবুর রহমান মিলন, জুনিয়র কার্ডিওলজি কনসালট্যান্ট ডা. আবুল হোসেন ও জুনিয়র সার্জারি কনসালট্যান্ট ডা. এহসানুল হক তন্ময়।
এ বিষয়ে রোগতত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম ফেলো ডা. ওমর কাইয়ুম বলেন, পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) যেকোনো সংক্রামক মহামারি রোগের জন্য চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষায় সবার আগে প্রয়োজন। মহামারি মোকাবিলা একটি যুদ্ধ জয়ের মতো। এখানে এ অস্ত্র অর্থাৎ সুরক্ষা সরঞ্জামাদি ছাড়া যুদ্ধ জয় কঠিন, কখনো-বা অসম্ভব। করোনা আক্রান্ত রোগী এবং সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসাসেবার সঙ্গে জড়িত চিকিৎসক, নার্সসহ সংশ্লিষ্ট কেউ যেন সংক্রমিত না হন, সেজন্য তাঁদের প্রত্যেকের পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) ব্যবহার ও ব্যবহার সম্পর্কে জানা অত্যাবশ্যক।’ প্রশিক্ষণ কর্মশালাটির সঞ্চালনায় ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ( আরএমও) ডা. শামীম কবির।
কমেন্ট বক্স