খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ
- আপলোড তারিখঃ
২২-০২-২০২০
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদন
কারাবন্দি অবস্থায় চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন তাঁর ছোট ভাই শামীম এস্কান্দারসহ স্বজনরা। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে তাঁরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে প্রবেশ করেন। শামীমের সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও ছেলে অভিক এস্কান্দার, প্রয়াত ভাই সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শাফিন এস্কান্দার ও সেজো বোন সেলিমা ইসলামের ছেলে শাহরিয়া হক। সাক্ষাৎ শেষে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বেরিয়ে যান তাঁরা। এ সময় শামীম এস্কান্দারের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীরা কথা বলতে চাইলে তিনি রাজি হননি। অন্যরাও কেউ কথা বলেননি। সর্বশেষ গত ১১ ফেব্রুয়ারি সেলিমা ইসলামসহ পাঁচ স্বজন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সাক্ষাতের পর সেলিমা ইসলাম তাঁর বোনের গুরুতর অসুস্থতার কথা সাংবাদিকদের জানান। একই সঙ্গে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য মানবিক কারণে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এরপর গত বুধবার খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাঁর জামিন চেয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কে এম জহিরুল হকের বেঞ্চে আবেদন করেন। এই বেঞ্চে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামীকাল রবিবার। আবেদনে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তাঁর উন্নত চিকিৎসা হচ্ছে না। জামিন পেলে তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে চান। দুর্নীতির দুই মামলায় মোট ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গত এপ্রিল থেকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দল ও পরিবারের সদস্যরা তাঁকে অন্য হাসপাতালে নিতে চাইলেও তাতে অনুমতি মেলেনি। জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিনের জন্য এর আগেও হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া। কিন্তু গত ৩১ জুলাই সেই আবেদন খারিজ করে দেন উচ্চ আদালত। খালেদার আইনজীবীরা এরপর আপিল বিভাগে গিয়েও ফল পাননি। গত ১২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে জামিন আবেদনটি খারিজ করে দেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের সম্মতি থাকলে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে দ্রুত ‘অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্ট’ দেওয়ার পদক্ষেপ নিতে বলা হয় আপিল বিভাগের ওই রায়ে। সেই রায় গত ১৯ জানুয়ারি প্রকাশিত হওয়ার পর হাইকোর্টে নতুন করে জামিন আবেদন করার উদ্যোগ নেন খালেদার আইনজীবীরা।
কমেন্ট বক্স