রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ঘাতক শনাক্ত ও আটক, প্রশংসিত পুলিশ

  • আপলোড তারিখঃ ০৩-০২-২০২০ ইং
ঘাতক শনাক্ত ও আটক, প্রশংসিত পুলিশ
প্রতিবেদক, দামুড়হুদা: ছয়ঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্রী শিশু সুমাইয়া ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত শনিবার রাত ১০টায় লাশ উদ্ধারের পরপরই জেলা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের নির্দেশনায় তথ্য উদ্ঘটন ও আসামি শনাক্ত করতে পুলিশ জোর তৎপরতায় মাঠে নামে। এ সময় সহকারী পুলিশ সুপার আবু রাসেলের সহযোগিতা ও দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে দামুড়হুদা থানার ওসি (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম ও দর্শনা তদন্ত কেন্দ্রের ওসি শেখ মাহাবুবুর রহমান বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে থাকেন। তাঁরা নিহত সুমাইয়ার লাশের পাশে পড়ে থাকা ধর্ষণের আলামত হিসেবে জব্দ করা শ্যাম্পুর খালি মোড়কের সূত্র ধরে পার্শ্ববর্তী একটি মুদি দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করেন, কে এই শ্যাম্পু তাঁর দোকান থেকে কিনিছে। মুদি দোকানদারের বক্তব্যের একপর্যায়ে তারা জানতে পারেন মোমিনুলের নাম। এরপর মোমিনুলকে আটক করে প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে সুমাইয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন আসামি মোমিনুল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ধর্ষককে শনাক্ত ও আটকের বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ‘অপরাধ সংগঠিত করে কোনো অপরাধী আজ পর্যন্ত ছাড় পায়নি। যারা অপরাধ করে, তারা যেন মনে রাখে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোনো অপরাধী সফল হতে পারে না।’ এত দ্রুত ধর্ষণ-আলামত সংগ্রহ, তদন্ত, আসামি শনাক্ত ও আসামিকে আটক করে আইনের আওতায় নিয়ে আসায় এলাকাবাসীসহ এ জেলার সাধারণ মানুষেরা চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, দামুড়হুদা থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাসসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশংসা ও সাধুবাদ জানিয়েছেন।


কমেন্ট বক্স