সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত

  • আপলোড তারিখঃ ২৬-০১-২০২০ ইং
চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত
শিশুকাল থেকে গণতন্ত্রের চর্চা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে সারা দেশের ন্যায় সমীকরণ প্রতিবেদন: এ বছর স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচনে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক লাখ ৩১ হাজার ৭২টি এবং মাদ্রাসায় ৫২ হাজার ৩৩৬টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১ কোটি ১৫ লাখ ৫৩ হাজার ৯১৬। ২০১৫ সাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শশুকাল থেকে গণতন্ত্রের চর্চা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গতকাল শনিবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে দুপুর দুইটা পর্যন্ত। ভোট শুরুর পর থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় আট সদস্যের স্কুল কেবিনেট। নিয়মানুযায়ী প্রত্যেক ভোটার প্রত্যেক শ্রেণিতে একটি করে এবং সর্বোচ্চ তিনটি শ্রেণিতে দুইটি করে মোট আটটি ভোট দেয়। প্রতি শ্রেণি থেকে একজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়। পাঁচ শ্রেণিতে পাঁচজন নির্বাচনের পর তাদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত তিনজন নির্বাচিত হয়। চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গায় উৎসাহ, উদ্দীপনা ও উচ্ছ্বসিত পরিবেশের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন-২০২০। জেলার মাধ্যমিক স্তরের স্কুল ও মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে সারা দেশের ন্যায় ভোট চলে একযোগে। গতকাল শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বেলা ২টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোট গ্রহণের মাধ্যমে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন সম্পন্ন হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল এক উৎসবমূখর পরিবেশ। নির্বাচন কমিশনার থেকে শুরু করে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারের দায়িত্বও পালন করে শিক্ষার্থীরা। নির্বাচন পর্যবেক্ষন করে দেখা যায়, সাধারণ নির্বাচনের মতোই সারিবদ্ধ লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে কেন্দ্রে প্রবেশ করছে। প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীরা মেতে উঠে ভোট উৎসবে। তারাও নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এ ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই সরগরম হয়ে উঠে চুয়াডাঙ্গার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করতে কোথাও বিকেল বা কোথাও সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও নির্বাচন পর্যবেক্ষন করেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাসহ স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোট পরিদর্শনে আসেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও বর্ডার গার্ড হাসপাতাল চুয়াডাঙ্গার পরিচালক লে. কর্নেল এ টি শাহরিয়ার। তাঁকে নির্বাচন ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিসেস মেহজেবিন। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবমূখর পরিবেশে চলা ভোট নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এদিকে, দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে নির্বাচন পরিদর্শনে আসেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল রঞ্জন চক্রবর্তী। নির্বাচন পরিদর্শনকালে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, কিশোর বয়স থেকে গণতন্ত্রের চর্চা, অন্যের মতামতের প্রতি সহিষ্ণুতা এবং শ্রদ্ধা, শিক্ষকদের সহায়তা, শতভাগ শিক্ষার্থীর ভর্তি ও ঝরে পড়া রোধে সহযোগিতা করা, শিখন-শিখানো কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এ নির্বাচনের মূল লক্ষ্য। শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি শিশুকাল থেকেই গণতন্ত্রের চর্চা, সহনশীলতা ও মূল্যবোধ তৈরির উদ্দেশে এই মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে ‘স্টুডেন্টস কেবিনেট’ গঠন। ভবিষ্যতে তারাই এ দেশ গড়ে তুলবে, পরিচালনা করবে। তাই তাদের এখন থেকেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অন্যের মতের প্রতি সহনশীলতার চর্চার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জানান, চুয়াডাঙ্গা জেলার চার উপজেলায় ১৭৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় একযোগে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রীদের দ্বারা পরিচালিত স্টুডেন্ট কেবিনেট ভোট ছিল উৎসবমূখর। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন প্রধান শিক্ষক স্মৃকিকণা বিশ্বাসসহ শিক্ষকরা। অপর দিকে, বেলা ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা শহরের ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও চুয়াডাঙ্গা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন পরিদর্শনে আসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ কুমার সাহা। এ সময় ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে তাঁকে স্বাগত জানান প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা ও আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর হোসেন। এদিকে, চুয়াডাঙ্গা ভি জে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে চলছিল উৎসবমূখর পরিবেশে নির্বাচন। বিদ্যালয়ের দুটি শিফট্রে জন্য আলাদা আলাদা ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে ছিল ছাত্রদের দেখার মতো সাড়া। ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে ভোট দেয়। ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল দেওয়ার সময় বিদ্যালয়ের পরিবেশ ছিল দেখার মতো। আবিরে ভরে উঠেছিল এলাকা। দিনব্যাপী নির্বাচন পর্যবেক্ষন ও সার্বিক পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহফুজুল হোসেন। অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গা সরোজগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের নির্বাচন ছিল জমজমাট উৎসবমূখর পরিবেশের। বোধহয়, চুয়াডাঙ্গার সব থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে হয়েছে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে দেখা গেছে হাতে লেখা নানা স্লোগান সংবলিত প্রার্থীদের ভোট চাওয়া লিফলেট। দিনব্যাপী এ নির্বাচনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আকবর আলী। জমজমাট এ নির্বাচনের আমেজ ছিল গোটা এলাকাজুড়ে। সঠিক সময়ে ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল দিতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে যায়। এদিকে, চুয়াডাঙ্গা নীলমণিগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নির্বাচনও ছিল উৎসবমূখর। ফলাফল ঘোষণা অব্দি দেখো গেছে শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি। সার্বিক পরিচালনা করেন প্রধান শিক্ষক আহমেদ সোহেল। চুয়াডাঙ্গা এম এ বারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নির্বাচনও ছিল আমেজ উদ্দীপনাময়। এক কথায় চুয়াডাঙ্গাজুড়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন ছিল অসাধারণ উৎসবমূখর পরিবেশে। স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচনকে ঘিরে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সর্বত্র ভোট গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশ সম্পন্ন হয়েছে। আলমডাঙ্গা: আলমডাঙ্গা উপজেলার ৪৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরেজমিনে এরশাদপুর একাডেমি, আলমডাঙ্গা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে দেখা গেছে, উৎসবমূয়খর পরিবেশে সকাল ৯টা থেকে নির্বাচন শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বেলা ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট তিনটি বুথে ভোট গ্রহণ করা হয়। প্রতিটি বুথে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা হলুদ শাড়ি পরিহিত অবস্থায় নিরাপত্তা বাহিনী আনসার-ভিডিপির ডিউটি পালন করতে দেখা গেছে। প্রতিটি বুথে ছিল প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্ট। এ ছাড়া দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকেও। তারা সবাই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিটন আলী, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল বারী ও অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার ইমরুল হক নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিদর্শন করেন। নির্বাচনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা দেখে তাঁরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তফসিল অনুযায়ী, ১৪ জানুয়ারি থেকে স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচনের মনোনয়নপত্র আহ্বান করা হয়। ১৬ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ জানুয়ারি বৈধ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। ১৯ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়। এদিনই প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। আর ২৫ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। একই দিনই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়। আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিটন আলী বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চা তৈরি করতে ‘স্টুডেন্টস কেবিনেট’ নির্বাচন হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চাসহ একে অপরকে সহযোগিতা করা, শ্রদ্ধা প্রদর্শন, শতভাগ শিক্ষার্থী ভর্তি ও ঝড়ে পড়া রোধে সহযোগিতা, পরিবেশ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিশ্চিতসহ ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। দর্শনা: দর্শনা পৌর এলাকার ১টি মাদ্রসা ও ৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মাদ্রাসা ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ব্যালটের মাধ্যমে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের ভোট গ্রহণের পূর্বে ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয় চত্বরে তাদের ছবি-সংবলিত পোস্টার ও ব্যানার টাঙিয়ে নির্বাচনকে বর্ণিল করে তোলে। বিদ্যালয়গুলোতে বেশ উৎসবমুখর পরিবেশে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করে। দর্শনা ডি এস মাদ্রাসা ও কেরু উচ্চ বিদ্যালয়, মেমনগর বিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দর্শনা বালিকা বিদ্যালয় এবং আল হেরা মাধ্যমিক ও দক্ষিণ চাঁদপুর বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেটে ৮ জন করে ছাত্র-ছাত্রী নির্বাচিত হয়েছে। দর্শনা দক্ষিণ চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচনে ৬ষ্ঠ শ্রেণির সাবির হোসেন, আব্দুর রহমান ও রিয়া খাতুন, ৭ম শ্রেণির আফজাল হোসেন, ৮ম শ্রেণির মারুফা খাতুন, মেহেদী হাসান, ৯ম শ্রেণির রাসেল আহম্মেদ ও ১০ম শ্রেণির শিমুল জোয়ার্দ্দার সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। এদের মধ্যে আফজাল হোসেন ও মেহেদী হাসান সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছে বলে জানা গেছে। জীবননগর: জীবননগরে উৎসবমুখর পরিবেশে স্কুল কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলে। এ সময় জীবননগর সরকারি থানা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে প্রায় ১১ শ ছাত্রী ভোট প্রদান করে। ভোট গণনা শেষে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ৪৩৭ ভোট পেয়ে মনিষা, ৭ম শ্রেণিতে ৪৫২ ভোট পেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস, ৮ম শ্রেণিতে ৪৯২ ভোট পেয়ে সুমাইয়া তাবাচ্ছুম, ৯ম শ্রেণিতে ৪৮৭ ভোট পেয়ে শ্রাবন্তী এবং ১০ম শ্রেণিতে ৫০৮ ভোট পেয়ে সাদিয়া আফরিন স্কুল কেবিনেট নির্বাচিত হয়। উথলী: জীবননগর উপজেলার উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বেলা ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ ভোট গ্রহণ চলে। ৬৫০ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫৩৭ জন শিক্ষার্থী তাদের ভোট প্রদান করে। নির্বাচিত কেবিনেট সদস্যদের মিষ্টিমুখ করিয়েছেন উথলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনি। মেহেরপুর: উৎসবমূখর পরিবেশে মেহেরপুরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে এ নির্বাচন বিরতিহীনভাবে বেলা ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মেহেরপুর সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিনয় কুমার চাকি জানান, সকাল ৯টা থেকে মেহেরপুর সদর উপজেলার ৫৪টি বিদ্যালয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে, মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির (খ শাখার) ছাত্রী মায়শা ফারজানা ঐশী সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ৫ম বারের মতো স্টুডেন্ট কেবিনেট সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। ডাকবাংলা: উৎসবমূখর পরিবেশে উত্তর নারায়ণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিল ও কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর নারায়ণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গতকাল শনিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ১০ শ্রেণির ছাত্র তানজিল আহমেদ। নির্বাচনের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন উত্তর নারায়নপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু দাউদ।


কমেন্ট বক্স