আলমডাঙ্গার মাদারহুদায় বোমা হামলা, একজন আটক
- আপলোড তারিখঃ
১৭-০৮-২০১৯
ইং
প্রতিবেদক, মুন্সিগঞ্জ:
আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জের মাদারহুদায় আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় বোমা হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার জেরে ওয়ার্ড যুবলীগের এক নেতার বাড়িতে হামলা চালিয়ে এক নারীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে জেহালা ইউনিয়ন যুবলীগের পক্ষ থেকে এক প্রতিবাদ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় একপক্ষ আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেছে।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই লিয়াকত জানান, আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের মাদারহুদা গ্রামে শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তাহের দলীয় নেতা-কর্মী নিয়ে সভা করছিলেন। হঠাৎ রাত সাড়ে আটটার দিকে দুর্বৃত্তরা ওই সভাস্থলের পাশে বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে এ বোমা হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনায় ঘটেনি। তিনি আরও জানান, এ বোমা হামলার ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় একটি মামলা হয়েছে এবং একজন আটকও হয়েছেন।
এ ব্যাপারে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তাহের সাংবাদিকদের বলেন, ‘শুক্রবার রাত আটটার দিকে আমি, খয়বার, আসকার ও স্থানীয় কিছু নেতা-কর্মী গ্রামের শাহাজাহান মাস্টারের বাড়ির আঙিনার গোলঘরে বসে দলীয় সভা করছিলাম। এ সময় কয়েকজন এসে সভাস্থলের পাশের প্রাচীরে একটি শক্তিশালী বোমা ফাটিয়ে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় আমি তৈহিদ ও নান্নু নামের ইউনিয়ন যুবলীগের দুই কর্মীকে চিনতে পারি। এ ঘটনায় আমি আলমডাঙ্গা থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেছি।’
এদিকে, যুবলীগের কর্মী তৈহিদ সাংবাদিকদের জানান, ‘আমি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়িতে রাতের খাবার খাচ্ছিলাম। এমন সময় আমাদের এলাকার তাহের, আসকার, খয়বারসহ ৩০-৪০ জন বাড়িতে ঢুকে আমার পিতা কেরামত ও ফুফু সায়রাকে পিটিয়ে জখম করে আর বলতে থাকে, আমি নাকি কোথায় বোমা হামলা করেছি। অথচ এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।’
যুবলীগ কর্মীর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় জেহালা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মোখলেসুর রহমান শিলন ও যুগ্ম আহ্বায়ক বকুল হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ‘ইউনিয়ন যুবলীগের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মী তৈহিদের পিতা ও ফুফুর ওপর পরিকল্পিতভাবে যে হামলা চালানো হয়েছে, আমরা এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। পরিকল্পিতভাবে তাহের ও তাঁর লোকজন বোমা ফাটিয়ে অহেতুক ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’
এ ঘটনার বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মুন্সীর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কমেন্ট বক্স