‘রাশেদ খান মেননকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ আহমদ শফী
- আপলোড তারিখঃ
০৬-০৩-২০১৯
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদন:
জাতীয় সংসদে গত ৩ মার্চে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাংসদ রাশেদ খান মেননের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী। এ ঘটনায় তিনি দাবি জানিয়েছেন, 'রাশেদ খান মেননকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।' গতকাল মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন। বিবৃতিতে আল্লামা আহমদ শফী বলেন, ‘কওমী মাদরাসার সঙ্গে এ দেশের আপামর জনগণের আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। জনগণের আর্থিক সহযোগিতায় হাজারো কওমী মাদরাসা গড়ে উঠেছে । রাষ্ট্রীয় কোন সহযোগিতা ছাড়া দেশে শিক্ষার হার বৃদ্ধি, দুর্নীতি, মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ এবং একটি ধর্মপ্রাণ জাতি উপহার দিতে কওমী মাদরাসা অনন্য নজীর স্থাপন করেছে। যা দেশের ইতিহাসে বিরল।’ তিনি আরো বলেন, ‘সৎ, যোগ্য ও ধর্মপ্রাণ নাগরিক তৈরির পবিত্র স্থান কওমী মাদরাসাকে রাশেদ খান মেনন ‘বিষবৃক্ষ’ বলে আলেম-উলামা, ছাত্র সমাজ ও কোটি মানুষের মনে আঘাত করেছেন। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কওমী মাদরাসাকে বিষবৃক্ষ বলে সম্বোধন করে তিনি রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। এজন্য অনতিবিলম্বে সাংসদ রাশেদ খান মেননকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘কাদিয়ানী সম্প্রদায় তথা আহমদিয়া মুসলিম জামাত ইসলামী শরিয়ত তথা কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক কাফের। খতমে নবুয়ত অস্বীকারকারী ও নবী রাসূলদের প্রতি কটূক্তিকারি মুসলমান থাকতে পারে না। তাদের কাফের ঘোষণা ঈমানের দাবি। শুধু পাকিস্তান নয় সৌদি আরব, মিসর মালয়েশিয়াসহ পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্র ও সংগঠন কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করেছে। রাশেদ খান মেনন ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঈমানী আন্দোলনকে পাকিস্তানি যোগসাজশ দেখিয়ে মূলত অমুসলিম কাদিয়ানিদের পক্ষ নিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের কয়েক কোটি মুসলমানের ধর্মানুভূতিতে আঘাত করেছেন।’
কমেন্ট বক্স