বিশেষ প্রতিবেদক:
মহাসড়কে গাছ বাঁচিয়ে রেখে রাস্তার দু’পাশ বাড়ানোর উদ্যোগ এখন যানবাহন চলাচলে নতুন সমস্যার সৃষ্টি করেছে। তাই বিপজ্জনক গাছ ও ডাল কাটার উদ্যোগ নিয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ। ইতিমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো চিহ্নিত করে কেটে সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
গতকাল সোমবার চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা মহাসড়কে গিয়ে দেখা যায় কয়েকটি পুরানো ও মরা কড়ই, রেইনট্রি, শিশু গাছ এবং গাছের ডাল কাটা হচ্ছে। কেনো সড়কের পাশের এ সব গাছ কাটা হচ্ছে জানতে চাইলে তত্ত্বাবধানে থাকা জেলা পরিষদ সদস্য মাফলাকাতুর রহমান সাজু জানান, বেশ কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি একটি লাইভ পোস্ট দেখেছিলেন। সেখানে একজন সাধারণ মানুষ তার ব্যক্তিগত আইডি থেকে লাইভে এসে একটি রাস্তায় দাড়িয়ে রাস্তার প্রায় মাঝখানে থাকা একটি গাছের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করাচ্ছেন। যে গাছটি প্রতিনিয়ত মহাসড়কে বাস-ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে বলে গাছটি সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ জানান।

তার লাইভ পোস্ট শেয়ার করে জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে দেখানো হলে তারা প্রথমত ওই গাছটি কেটে ফেলার অনুমতি দেন। পরবর্তীতে সড়কে এ ধরণের ঝুঁকিপূর্ণ গাছ চিহ্নিত করে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। তাদের নির্দেশক্রমেই এই গাছগুলো কেটে জেলা পরিষদে নেয়া হচ্ছে। তবে অকারণে একটিও ভালো আর জীবিত গাছ কাটা হবে না বলে জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল আরিফ বলেন, রাস্তার ওপর হেলে যাওয়া, মরা ও গাছের ভেতরের অংশে সৃষ্ট বড় বড় গর্তের জন্য বিপজ্জনক এমন গাছগুলো কাটার অনুমতি দিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস। স্যারের অনুমতিক্রমে আজ (সোমবার) চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা মহাসড়কের দু’পাশে থাকা বেশ কিছু ঝুকিপূর্ণ গাছ ও গাছের ডাল কেটে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সড়কে আন্তঃজেলা ও দুরপাল্লার যানবাহন চলাচলে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।’