রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : সভাপতি বহিস্কার

  • আপলোড তারিখঃ ০৬-০১-২০১৯ ইং
৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : সভাপতি বহিস্কার
আলমডাঙ্গার পাইকপাড়ায় জেলা পরিষদের অর্থায়নে কবরস্থানের গেইট নির্মাণে ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি (আলমডাঙ্গা): আলমডাঙ্গার পাইকপাড়ায় জেলা পরিষদের ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের কবরস্থানের গেইট নির্মাণের বরাদ্দকৃত ১ লাখ টাকার ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত পাইকপাড়া গ্রামের তৃমোহনী পাড়ার মৃত নুর বক্সের ছেলে নাজিম মালিতা। স্থানীয় মেম্বারদের ম্যানেজ করেই কবরস্থানের গেইট নির্মাণ করা হয় বলেও অভিযোগ উঠে। জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার আইলহাঁস ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের সরকারী কবরস্থানে গত ৩ বছর যাবত সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন মৃত নুর বক্সের ছেলে নাজিম মালিতা। ২০১৬ সালে পাইকপাড়া গ্রামের কবরস্থানের গেইট নির্মাণের জন্য জেলা পরিষদের নিকট আবেদন করেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতে জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ারের তদারকিতে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কনস্ট্রাকশনের অবকাঠামো আর টাইলস দিয়ে গেট নিমার্ণের জন্য বরাদ্দকৃত নোটিশে জানানো হয়। এরই মধ্যে ২০১৭ সালের শেষের দিকে কবরস্থানের গেইট নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কনস্ট্রাকশনের অবকাঠামো নির্মাণের পরেই থমকে পড়ে উন্নয়ণের ধারাবাহিকতা। কনস্ট্রাকশনের অবকাঠামো নির্মাণে ২৫ হাজার টাকা খরচ হলেও ব্যয় ধরা হয় ৫৩ হাজার টাকা। কবরস্থানে নিজস্ব ফান্ড থেকে আরো ৩ হাজার টাকা নির্মাণ কাজে ব্যয় হয়েছে বলে জানান কবরস্থানের সাধারণ সম্পাদকসহ সাধারণ সদস্যবৃন্দরা । এনিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে নাজিম মালিতাকে কবরস্থানে সভাপতি থেকে বহিষ্কর করা হয়। নাজিম মালিতা কবরস্থানের গেইট নির্মাণ কাজের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাত করলেও জেলা পরিষদের কোন তদারকি না থাকায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নাজিম মালিতা জানান, জেলা পরিষদের গেইট নির্মাণের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করে। ৫০ হাজার টাকার কাজ করা হয়েছে। এই কাজে স্থানীয় মেম্বার টিটন বাধা দেওয়ায় তাকে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এভাবে প্রায় ১৫ হাজার টাকা বিভিন্নস্তরের নেতাকর্মীদের দেওয়ায় টাকা না থাকায় কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে স্থানীয়রা রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আমাকে সভাপতি থেকে বহিষ্কার করেছে। এই ব্যাপারে জেলা পরিষদ সদস্য খলিল হোসেন জানান, বরাদ্দকৃত অর্থের ৫০% কাজের পূর্ণতা না পেলে জেলা পরিষদ কর্তৃক তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


কমেন্ট বক্স