শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী বাবু খানের বিবৃতি

  • আপলোড তারিখঃ ১৯-১২-২০১৮ ইং
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী বাবু খানের বিবৃতি
নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বন্ধের দাবি হামলা-মামলা, গ্রেফতার, ভাঙচুর এখন নিত্যদিনের ঘটনা। নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বন্ধ করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। তিনি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, চুয়াডাঙ্গা-২ নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদিনই ঘটছে সরকার দলীয় সমর্থকদের সহিংসতা। সেই সাথে পুলিশের গ্রেফতার আতঙ্ক। গতকাল হাসাদাহ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ডা. শুকুর আলীকে তার নিজ গ্রাম কাটাপোল বাজার থেকে সন্ধ্যার পর ধরে নিয়ে গিয়ে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী সাখাওয়াত ও আব্দুর রহিম মারধর করে মারাত্মক জখম করে। শুধু তাই নয় সাখাওয়াতের নেতৃত্বে একটি বাহিনী মাইক্রোবাসে করে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল নেতাকর্মিদেরকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। গত সোমবার কার্পাসডাঙ্গা ব্রীজ মোড়ে ধানের শীষের প্রচার মাইক আটক করে মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেয়। একইদিন রাত ৯টার দিকে জয়রামপুর কাঁঠালতলাস্থ হাউলী ইউনিয়নের প্রধান নির্বাচনী অফিসে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ দল বেঁধে এসে ভাঙচুর করে। গতকাল দামুড়হুদা ও দেউলীতে যুবদল নেতা সজল ও আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করতে পুলিশ কোন কারণ ছাড়াই অভিযান চালায়। এসকল আইন ও আচরণবিধি বিরোধী চরমপন্থী কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বাবু খান বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তো দূরের কথা আমাদের কাজ করার মত কোন ফিল্ডই নাই। সরকারি দলের সমর্থকদের হামলা, ভাঙচুর ও হুমকি-ধামকি নিত্যদিনই ঘটে চলেছে। সন্ধ্যার পর কখনো মুখ বেঁধে আবার কখনো হেলমেট পরিহিত অবস্থায় জীবননগর পৌরসভা ও দর্শনা পৌরসভায় কয়েকদিন ধরে তান্ডব চালিয়েছে সরকার দলীয়রা। তিনি বলেন- সরকারি দলের এমন অরাজকতার মধ্যে বাড়তি চাপ হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। ঘটনা ঘটাচ্ছে নৌকার সমর্থকেরা আর মামলা সাজানো হচ্ছে ধানের শীষের সমর্থকদের নামে। এখন পর্যন্ত একাধিক মামলায় প্রায় শতাধিক নেতাকর্মিদেরকে আসামী করা হয়েছে। একদিকে হামলা ভাঙচুর হুমকি, অন্যদিকে গ্রেফতার আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে আমার সমর্থকদের। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা বাবু খান এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বন্ধ করে ভোটের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি করে বলেন, প্রশাসনের কাছে আমরা কোন বাড়তি সুবিধা পেতে চাইনা শুধুমাত্র তাদেরকে নিরপেক্ষ ভূমিকায় দেখতে চাই। জাতীয় নির্বাচন একটা উৎসব, সেই উৎসব আজ চরম ভীতিতে পরিণত হয়েছে। এভাবে চলতে পারেনা, তিনি প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের কাছে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করেন বলে জানান। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)


কমেন্ট বক্স