চারুলিয়ায় ৩ সন্তানের জননীর আত্মহত্যা : রহস্য!
- আপলোড তারিখঃ
১০-১২-২০১৮
ইং
নতিপোতা/ভালাইপুর প্রতিনিধি: দামুড়হুদার নাটুদাহ ইউনিয়নের চারুলিয়া ঘাঁটপাড়ার মক্কর আলীর স্ত্রী রেহানা খাতুন (৩৮) গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গতকাল রবিবার ভোরের দিকে পরিত্যাক্ত রান্না ঘরের বাশের সাথে রশি টাঙিয়ে সে আত্মহত্যা করে। জানা যায়, চারুলিয়া ঘাঁটপাড়ার কলা ব্যবসায়ী মক্কর আলীর স্ত্রী রেহানা খাতুন। সে আনুমানিক ২৫ বছরের বিবাহিত জীবনে ২ মেয়ে ও এক ছেলের জননী। বড় মেয়ে মৌসুমি বিবাহিত। আর ছোট মেয়ে লাইনী খাতুন হোগলডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী। আর একমাত্র ছোট ছেলে মাসুদ রানা চারুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণী ছাত্র। মৃত রেহানার বড় মেয়ে মৌসুমি জানান, কি কারণে মা আত্মহত্যা করেছে আমরা নিজেরাই জানিনা। আমার বাবাও খুব ভালো মানুষ। কোনদিন বিড়ি-সিগারেট কিছুই খায় না সে কেমন করে মাকে হত্যা করবে। ছেলে-মেয়েদের বাবার প্রতি তেমন কোন অভিযোগ নেই। তাহলে তার মৃত্যু কি কারণে এমন প্রশ্ন থেকেই যায়। স্থানীয়ও মাত্ববারা, তার ছেলে-মেয়েদের কথা চিন্তা করে, বড় মেয়ে মৌসুমির নামে মাঠের ৫ কাটা জমি, ছোট মেয়ে লাইলী খাতুনের জন্য ৮ কাটা জমি ও ছোট ছেলে মাসুদ রানার জন্য বাড়ির ভিটের সাড়ে ৪ কাটা জমিসহ মাঠে কয়েক কাটা জমি দেবে বলে জানা যায়। উভয়পক্ষ মিমাংসায় আসে। এ জন্য কোন মামলা দায়ের হয়নি। এলাকায় অনেকই মন্তব্য করছে, পারিবারিক কহলের কারণে সে আত্মহত্যা করতে পারে। কিন্তু ঘটনাস্থল দেখে মনে হচ্ছে কোন এক রহস্য আছে। রান্নাঘরে বাশের আড়ার উ`্চতা সাড়ে ৫ ফুট থেকে ৬ ফুট। তাহলে কিভাবে এই উচ্চতায় গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে একটা মানুষ। মাটি থেকে দাঁড়ালেই রান্নাঘরে বাশের আড়া মাথায় ছুইছুই ভাব। তাহলে কিভাবে আত্মহত্যা করলও সে। এই নিয়ে এলাকায় অনেকই অনেক রকমের মন্তব্য করছে। রাত্রেই চারুলিয়া জামে কবরস্থানে দাফনকার্য সম্পন করা হবে বলে জানা গিয়েছে। মেয়ের বাবা পক্ষে থেকে বাদী না হওয়ায় কোন মামলা হয়নি বলে জানান, দামুড়হুদার মডেল থানার এসআই তপন। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে অপমৃত্য মামলা হবে বলে জানান তিনি।
কমেন্ট বক্স