চুয়াডাঙ্গায় নবজাতকদেরর মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস
- আপলোড তারিখঃ
০২-১২-২০১৮
ইং
কাজটি গরীব ও অসহায় মানুষের জন্য সুন্দর বার্তা বহন করবে
আফজালুল হক: চুয়াডাঙ্গায় স্বাভাবিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে ১শ’ ৪০ জন নবজাতকের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াশীমুল বারীর উদ্যোগে গতকাল শনিবার বেলা ১২টায় সদর হাসপাতালের কনফারেন্সরুমে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উপহার সামগ্রীগুলো তুলে দেয়া হয়।
২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে গাইনি ওয়ার্ডে ১শ’ ৪০ জন গর্ভবতী মাকে স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব করানো হয়। স্বাভাবিকভাবে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ায় প্রত্যেক নবজাতককে একটি করে মশারী ও জামা-পায়জামা তুলে দেয়া হয় নবজাতকের মায়ের হাতে। এছাড়াও সন্তান জন্মদানে সহায়তা করায় সিনিয়র স্টাফ নার্স মমতাজ বেগম, আয়া সাইদা বেগম ও পরিচ্ছন্ন কর্মি মায়ারাণীকে পুরষ্কৃত করা হয়।
এ উপলক্ষে সদর হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলমের সভাপতিত্ব প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কানাই লাল সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াশীমুল বারী, সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. শামীম কবির । অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা রবজেল হোসেন।
আরো উপস্থিত ছিলেন সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (চক্ষু) ডা. শফিউজ্জামান সুমন, জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারী) তারিক হাসান শাহীন, কনসালটেন্ট (গাইনী) ডা. আকলিমা খাতন, কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজী) ডা. আবুল হাশেম, ডেন্টাল সার্জারী ডা. জয়নাল আবেদীন, জুনিয়র কনসালটেন্ট (অ্যানেসথেসিয়া) ডা. গোলাম মোর্শেদ ডালিম। এছাড়াও নার্সিং সুপার ভাইজার ফেরদৌস আরা গিনি ও তরুলতা মন্ডলসহ হাসপাতালর কর্মকর্তা কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াশীমুল বারী বলেন- গত মাসে সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. শামীম কবিরের নিকট চিকিৎসা নিতে আসি। চিকিৎসা নেয়ার শেষে কথা প্রসঙ্গে ডা. শামীম কবির জানান স্বাভাবিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য আপনি কিছু সহায়তার হাত বাড়াতে পারেন। বলি কিভাবে? তখন তিনি জানান এসব গর্ভবর্তী মা’দের স্বাভাবিক প্রসবের জন্য পুরষ্কারের ব্যবস্থা করা। তখনি আমি প্রস্তাবটা গ্রহন করি। আর ভাবি সেবা নিতে এসে সেবা দিয়ে গেলাম। ভালই লাগছে।
সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম জানান- এ মহতী উদ্যোগ স্বাস্থ্য সেবাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কানাই লাল সরকার বলেন- এ মহতী উদ্যোগ সাধুবাদ জানানের ভাষা আমার কাছে আপাতত নেই।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস বলেন- স্বাভাবিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবে উদ্বুদ্ধকরণ কাজটি গরীব ও অসহায় মানুষের জন্য একটি সুন্দর বার্তা বহন করবে। সমাজের বিত্তবান মানুষদের এ রকম সহযোগিতা করার আহবান জানান।
কমেন্ট বক্স