মোবাইল ফোনসহ নগদ অর্থ ছিনিয়ে মারধর : মামলা
- আপলোড তারিখঃ
২৫-১১-২০১৮
ইং
চুয়াডাঙ্গায় চাঁদার দাবিতে সেনা সদস্য ও তার বন্ধুকে বিএডিসি ফার্মে নিয়ে
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নুরনগর কলোনীপাড়ায় প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসে মোবাইল ফোনসহ নগদ অর্থ খুইয়েছেন রোকনুজ্জামান নামের এক সেনা সদস্যসহ তার বন্ধু হাবিল। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নুরনগর কলোনী এলাকার একদল বখাটেরা সেনা সদস্যসহ তার বন্ধু হাবিলকে বিএডিসি ফার্মের মাঠে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় এবং তাদের কাছে নগদ টাকা চাঁদা দাবি করাসহ বেধরক মারপিট করে। পরে পুলিশ সংবাদ পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। সেনা সদস্য রোকনুজ্জামান চুয়াডাঙ্গা সদর থানা হেফাজতে আছে এমন সংবাদে যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেনা বাহিনীর একটি টিম চুয়াডাঙ্গা পৌছায় এবং সেনা সদস্য রোকনুজ্জামানকে তাদের হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় ওই সেনা সদস্যদের বন্ধু হাবিবুল্লাহ হাবিল বাদি হয়ে অজ্ঞাত যুবকদের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় গতকাল মামলা দায়ের করেছে। যার মামলা নং-৩৯।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার দলিয়ারপুরের আনারুল হকের ছেলে সেনা সদস্য রোকনুজ্জামান (২০) ও তার বন্ধু মেহেরপুর সদরের নতুন দরবেশপুরের আশাবুল মালিথার ছেলে হাবিবুল্লাহ হাবিল চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নুরনগর কলোনীপাড়ার রেখা নামের একজন আলোচিত মহিলার বাড়িতে এক মেয়ের সাথে দেখা করতে আসে। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা বের হলে ওই এলাকার কিছু অজ্ঞাত যুবক তাদেরকে পথরোধ করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। সেনা সদস্য রোকনুজ্জামান বিষয়টি তার নিকট বন্ধুদেরকে জানিয়ে সাংবাদিক ও পুলিশকে সংবাদ দিলে তারা রোকনুজ্জামানকে বেধরক পেটায় ও তার কাছে থাকা একটি মোবাইল ফোন ও নগদ ৭শ’ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে পুলিশ যেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং সেনা সদস্য রোকনুজ্জামানকে সেনা বাহিনীর নিকট হস্তান্তর করে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী রোকনুজ্জামানের বন্ধু হাবিবুল্লাহ হাবিল গতকাল চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-৩৯, তারিখ-২৪/১১/২০১৮ইং।
কমেন্ট বক্স