চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরসহ সারাদেশে ৭ই মার্চ পালিত : সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ডেস্ক রিপোর্ট: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানো একসময় নিষিদ্ধ ছিল। তারপরও দলের নেতাকর্মীরা ওই ভাষণ বাজিয়েছেন। তারা ওই ভাষণ বাজাতে গিয়ে নানা ধরনের অত্যাচার আর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব করে জাতির পিতার নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিলো। বিকৃত ইতিহাস তৈরির চেষ্টা হয়েছিলো। কিন্তু ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস প্রতিশোধ নেয়। কেউ ইতিহাস নিশ্চিহ্ন করতে পারে না। আজ সারা বিশ্বে প্রমাণ হয়েছে ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব। ইউনেস্কো ওই ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি বলেন, যারা যুদ্ধাপরাধী-স্বাধীনতাবিরোধী, যারা এতিমের টাকা চুরি করে, আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারে, দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে, তাদের আর কোনোদিনই ক্ষমতায় আসতে দিবেন না। তারা যেন আর ক্ষমতায় এসে দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গতকাল বুধবার বিকালে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় সভাপতির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানিয়েছেন, চুয়াডাঙ্গায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ, ভাষণ প্রচার, জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে শহরের কবরী রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে ৭মার্চের কর্মসূচী শুরু করে জেলা আওয়ামী লীগ। বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া দিনব্যাপী বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার করা হয়। শহরের সকল স্কুল ও কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদেরকে ভাষণ শোনানো হয় এবং তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সকাল ৬টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন। দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ফেরদৌস ওয়ারা সুন্না ও জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক আরশেদ উদ্দিন চন্দন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আলি রেজা সজল, সদস্য এ্যাড. তালিম, আওয়ামী লীগ নেতা টেংরা মিয়া, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মাস্তারসহ পৌর আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। পতাকা উত্তোলন শেষে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পনের মধ্যদিয়ে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা শিল্পি জোয়ার্দ্দার, জেলা যুবলীগের আহবায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার, যুবলীগ নেতা রায়হান, সাইদ, পাভেল জোয়ার্দ্দার, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাহাবুল হোসেন, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি রুবাইত বিন আজাদ সুস্থির, সাবেক ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ জোয়ার্দ্দার, সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রিমন হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা মন্টা, অয়ন জোয়ার্দ্দার, সাবেক গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান হিমেল, সাবেক স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাজু আহম্মেদ, ছাত্র পরিষদ চুয়াডাঙ্গার আহবায়ক সাইফুল ইসলাম রানা, রিগান প্রমুখ।
এদিকে, গতকাল বুধবার ৭ই মার্চ উপলক্ষে সকাল ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিক ভাষণ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সহকারি অধ্যাপক মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ প্রফেসর নওরোজ মোহাম্মদ সাঈদ। সহকারি অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসির উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে থেকে বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ ড.মো.জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মামুন উর রশিদ, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মাসুদ পারভেজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এনামুল হক। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্রী আছিয়া খাতুন, পবিত্র শ্রীমদভগবত গীতা থেকে পাঠ করেন একাদশ শ্রেনির ছাত্রী রিয়া। এরপর সকলের সম্মিলিত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। পরে কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা ‘স্বাধীনতা এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো’ কবিতাটি অধ্যক্ষ প্রফেসর নওরোজ মোহাম্মদ সাঈদের আবৃত্তির মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন একাদশ শ্রেণির ছাত্রী তামান্না। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক শাহজাহান আলী, সাবিনা ইয়াসমীন, মাহমুদ কবির, রনি আমিন, রাসেল আহমেদ, মারুফুল ইসলাম, নুসরার জাহান, নাঈমা ফারহানা, পারভিনা খাতুন, রহিমা খাতুন, নাজমা, নাজনিন আরা, সালমান পারভেজসহ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কলেজের ছাত্রীবৃন্দ।
আলমডাঙ্গা অফিস জানিয়েছে, দিনটি যথাযথভাবে পালন করেছে আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সকাল ১০টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আনন্দ র্যালি, বঙ্গবন্ধু ভাষণ ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীম আরা খাতুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিমা শারমিন, সমাজ কল্যাণ অফিসার আবু তালেব, মৎস্য কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান প্রমুখ। অপরদিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সকাল ১০টার দিকে আনন্দ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু মুছার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি প্রশান্ত অধিকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য হারদী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুন, আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত আলী লিপু মোল্লা। সাবেক ছাত্রনেতা জাফর চেয়ারম্যানের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা রেজাউল হক, মুন্সি মতিয়ার রহমান বাবু, পৌর কাউন্সিলর মামুনার রশীদ হাসান, সঞ্চিত, মহর মেম্বার, ইখলিছুর রহমান, নুর হোসেন, রবিউল হক, রিপন শাহ, সৈকত খান প্রমুখ। এছাড়া সকাল ১০টা এম সবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে র্যালি শেষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দ. শাহ আলম মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক আহসান হাবীব, সাবলুর রহমান, আব্দুস সালাম। শিক্ষক আকরাম আলীর উপস্থাপনায় রকিবুল আনোয়ার, সাজ্জাদ হোসেন, শিরিনা আক্তার, মেসকাত আরা, রহিমা খাতুন, কাকলী রানি সরকার, সিরাজুল ইসলাম।
দর্শনা অফিস জানিয়েছে, সকাল সাড়ে ৯টায় দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন এবং বঙ্গবন্ধুসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক আর্দশ নিয়ে অলোচনা ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এসএএম জাকারিয়া আলম ও দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আলী মুনসুর বাবু। আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এসএএম জাকারিয়া আলম, যুবলীগের দামুড়হুদা উপজেলা সভাপতি আব্দুল হান্নান ছোট, পৌর যুবলীগের রফিকুল ইসলাম ববি, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন তপু, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ পারভেজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রভাত আলম। এছাড়া দর্শনা সরকারী কলেজে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতি পুস্পমাল্য অর্পন ও বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনকে ঘিরে আলোচনা করা হয়। দর্শনা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেয় উপাধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, প্রভাষক আশরাফুল আলম, প্রভাষক কাওছার আলম, জাহাঙ্গীর আলম, দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফ মল্লিক ও প্রথম বর্ষের ছাত্রী জুয়াইর পেহেরী। এ অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করেন, দর্শনা সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রভাত আলম, দপ্তর সস্পাদক, রায়হান উদ্দিন ও নাজমুল হক। অপরদিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর ভাষনকে নিয়ে প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। এছাড়া উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ও আব্দুল ওয়াদুদ শাহ কলেজসহ সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা গুলিতে একই ধরণের অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে।

মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, মেহেরপুরে পালিত হলো ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। এ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্যের বাসভবনস্থ কার্যালয়ের সামনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গতকাল বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন। এর পরে জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা যুব মহিলা লীগ, জেলা ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একে একে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম, আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ইব্রাহিম শাহীন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান মফিজ, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান শামীম আরা হীরা, জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি সামিউন বসিরা পলি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রুত শোভা মন্ডল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুস সালাম বাঁধনসহ আওয়ামী লীগ ও অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে এদিন বিকেলে মেহেরপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টারে বিশেষ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম.এ খালেক, সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম, আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাস, অ্যাড. শাজাহান আলী, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. ইব্রাহীম শাহীন, মুজিবনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহাজনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমাম হোসেন মিলু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদত আমঝুপি ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন চুন্নু, গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভানেত্রী ও জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান শামীম আরা হীরা, বুড়িপোতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান শাহ জামাল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুস সালাম বাঁধন, সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান মফিজ, জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রুতশোভা মন্ডলসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক শ্বাশত নিপ্পুন।
এদিকে এদিন রাতে মেহেরপুর হোটেল বাজার ব্যবসায়ি সমিতির কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। হোটেল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের আহ্বায়ক আরিফুল এনাম বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মোঃ গোলাম রসুল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হোটেল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির বর্তমান সভাপতি আওয়ামী নেতা আব্দুল হান্নান, সাধারণ সম্পাদক যুবলীগ নেতা জাহিদ ইকবাল শিমন, সহ-সভাপতি যুবলীগ নেতা শেখ মোমিন, দপ্তর সম্পাদক সদর থানা যুবলীগের সদস্য আবু হোসেন কাকন প্রমুখ।
এদিকে এদিন বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. ইয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বুড়িপোতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রেজা, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল আলম, শহর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিউর রহমান বকুল, সদর থানা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাসেল, কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জনি প্রমুখ।
বারাদী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ‘শেখ হাসিনা রূপকার, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক উপহার’ এই শ্লোগানে ২০২১ সালে ভিক্ষা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মসূচী ঘোষণার মাধ্যমে ৭ই মার্চ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ও রালী হয়েছে। একটি বাড়ী একটি খামার ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক মেহেরপুর শাখার উদ্যোগে গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরপুর সদরে এ আলোচনা সভা ও র্যালী করা হয়। সমিতির সভাপতি জালাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সমন্বয়কারী মুসারদ্দীন, বিশেষ অতিথি ছিলেন ফিল্ড সুপারভাইজার জেসমিন আকতার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মাঠ সহকারী কাবিরুল ইসলাম, রফিকুল, আ. আজিজ, সাদ্দাম হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
গাংনী অফিস জানিয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করায় এবার ৭ মার্চে গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগ ব্যতিক্রমী আয়োজন করে। দিনব্যাপী উপজেলার ৯০টি ওয়ার্ডে মাইকের মাধ্যমে ৭মার্চের এ ভাষন চালিয়েছে। পরে উপজেলার শহীদ রেজাউল চত্বরে প্রামান্যচিত্র প্রদর্শনের মধ্যে দিয়ে এ ব্যতিক্রম আয়োজনের সমাপ্তি করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহিদুজামান খোকন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মেহেরপুর সরকারী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান শাখার প্রধান সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল আমিন ধুমকেতু, গাংনী পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র নবীর উদ্দীন, মাইলমারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাম্মেল হক, বামন্দী ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুর রহমান কমলসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।