কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ
- আপলোড তারিখঃ
০৪-০৩-২০১৮
ইং
সমীকরণ ডেস্ক: কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলে এ ঘটনা ঘটে। এতে সভাপতি পক্ষের আল-আমিন মিলন ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষের হিমেল চাকমা নামে দুজন কর্মী আহত হয়েছেন। আহত আল আমিন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ও হিমেল চাকমা হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর আল আমিনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রলীগ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শনিবার দুপুরে সাদ্দাম হোসেন হল থেকে সাধারণ সম্পাদক পক্ষের কর্মী রেজওয়ান বের হচ্ছিলেন। এ সময় রেজওয়ানকে উদ্দেশ করে সভাপতি পক্ষের কর্মী মিলন কটূক্তি করেন। রেজওয়ান তাঁকে নিষেধ করলে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর মিলনসহ ৮ থেকে ১০ জন লাঠি, হকিস্টিক, ক্রিকেট খেলার ব্যাট ও স্টাম্প নিয়ে রেজওয়ানকে ধাওয়া দেন। রেজওয়ান সেখান থেকে পালিয়ে যান। একটু পরেই সাধারণ সম্পাদক পক্ষের কর্মী রিমন, নীলসহ ১০ থেকে ১২ জনকে নিয়ে মিলনদের ধাওয়া দেন। এর কিছুক্ষণ পর সাধারণ সম্পাদক পক্ষের কর্মী হিমেল চাকমা হলের ভেতরে গেলে মিলনরা হিমেলকে পিটিয়ে আহত করেন। এরপর উত্তেজিত কর্মীরা সাদ্দাম হোসেন হলের ৩১৬ নম্বর কক্ষে ভাঙচুর চালান।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা বলেন, সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনার পর সাদ্দাম হোসেন হলসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহবুবর রহমানসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এরপর খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ যায়।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিম বলেন, ‘নিজেদের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝির ফলে এমনটি হয়েছে। আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না। এখন পরিস্থিতি শান্ত।’
সভাপতি শাহিনুর রহমান বলেন, ঘটনাটি অনাকাক্ষিত। এ জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে এর প্রতিবেদন জামা দিতে বলা হয়েছে।
মাহবুবর রহমান বলেন, ‘নিজেদের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝির কারণে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে। বিষয়টি শোনামাত্রই আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছি।’
কমেন্ট বক্স