দর্শনার ৯ শিক্ষককে শোকজসহ ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ
- আপলোড তারিখঃ
২০-০২-২০১৮
ইং
কোচিং বাণিজ্য বন্ধে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও এনএসআই’র আকস্মিক অভিযান
দর্শনা অফিস: কোচিং বানিজ্য বন্ধে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা যৌথ অভিযান চালিয়ে দর্শনার দুইটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষককে শোকজ করেছে। গতকাল বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। প্রথমে দর্শনার বালিকা বিদ্যালয়ে অভিযান চালায় প্রতিনিধি দল। এ বিদ্যালয়ের চারটি আলাদা কক্ষে অবৈধভাবে প্রায় ১শ শিক্ষার্থীদের কোচিং ক্লাস নিচ্ছিলেন প্রধান শিক্ষক একেএম হুমায়ন কবির, সহকারী প্রধান শিক্ষক হাসমত আলী, সহকারী শিক্ষকা নাসরিন আক্তার শিলু, সহকারি শিক্ষক হাফিজুর রহমান হাফিজ। এরপর প্রতিনিধি দল দর্শনা এলাকার ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান দর্শনা কেরুজ উচ্চ বিদ্যালয়ে যায়। সেখানে ৩শ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে কোচিং ক্লাস নিচ্ছেন সহকারী শিক্ষক ইকবাল রেজা, আশরাফ হোসেন, ¯েœহ বসাক নান্টু, ফারুক হোসেন, আসমা খাতুন। এ সময় প্রতিনিধি দল দু’বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বক্তব্য ভিডিও ধারণ করে দলটি। শিক্ষার্থীরা তাদের জানায়, দর্শনা কেরু উচ্চ বিদ্যালয় ও দর্শনা বালিকা বিদ্যালয় দুইটি বিদ্যালয়ে ৬০০ থেকে ১০০০ হাজার টাকা করে কোচিং ফি নেই। ৬ষ্ঠ শ্রেনী থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের এ দুটি বিদ্যালয় কোচিং করানো হয়।
চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জসিম উদদ্ীন, চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) উপ-পরিচালক আবু জাফর ইকবাল ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাপিয়া আক্তার, ইফাত আরা জামান উম্মি, চৌধুরী মোস্তাফিজুর রহমান যৌথভাবে কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয়।
এ বিষয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জসিম উদদ্ীন সময়ের সমীকরণকে বলেন, অবৈধ কোচিং করানোর দায়ে দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ন কবির ও সহকারী প্রধান শিক্ষক হাসমত আলী, সহকারী শিক্ষক নাসরীন আক্তার শিলু, সহকারী শিক্ষক হাফিজুর রহমান এবং কেরু উচ্চ বিদ্যালয়ের ইকবাল রেজা, ফারুক হোসেনসহ ৯জনকে শোকজ এবং আইনানুগ ব্যবস্থাসহ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করা হবে। সারাদেশে একের পর এক এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। ফলে আগামী প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের ভবিষৎ নিয়ে আভিভাবক মহল শঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
কমেন্ট বক্স