বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতির মধ্যে দিয়ে শেষ হলো উন্নয়ন মেলা

  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০১-২০১৮ ইং
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতির মধ্যে দিয়ে শেষ হলো উন্নয়ন মেলা
চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুরসহ সারাদেশে আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণী ডেস্ক রিপোর্ট: উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতির মধ্যদিয়ে এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নকে জনগণের মাঝে তুলে ধরতে সারা দেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা, জীবননগর, মেহেরপুর, গাংনী উপজেলায় তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা সমাপ্ত হয়েছে। এবারে মেলার প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলো ‘উন্নয়ণের রোলমডেল, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরষ্কার বিতরণীর মধ্যেদিয়ে সমাপ্ত হয় তিনদিন ব্যাপি এ উন্নয়ন মেলার আসর। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানিয়েছেন, সারা দেশের সাথে একযোগে শুরু হওয়া তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা জাঁকজমক পূর্ণ আয়োজনে মাধ্যমে শেষ হলো। গত ১১ জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ মেলা গতকাল শনিবার বিকাল ৪টার সময় চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে মেলা প্রাঙ্গনে কুইজ প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের উপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণীসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয়। `উন্নয়নের রোল মডেল শেখ হাসিনার বাংলাদেশ` এ প্রতিপাদ্যে তৃতীয় বারের মতো সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে শুরু হওয়া তিনদিন ব্যাপী এ মেলার গতকাল ছিলো সমাপণী দিন। এ উপলক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে উন্নয়ন মেলা বিষয় ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা, ডিজিটাল বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের উপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণীসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগর টগর। এ সময় তিনি বলেন, দেশ আজ ডিজিটাল হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১ কোটি ৫৮ লাখ ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা তাদের অভিভাবকদের মোবাইল ফোনে চলে যায়। বাংলাদেশে এখন প্রায় সবাই স্মার্ট ফোন ইন্টারনেট ব্যাবহার করেন। হাতে একটা মোবাইল ফোন থাকলে দুনিয়া তার হাতের মুঠায়। জেলা উপজেলাসহ ইউনিয়ন পর্যায়ে দেশ এখন ডিজিটাল। এখন মানুষ শহরে আসতে চাইনা। গ্রামে বসে সব সুযোগ পাচ্ছে। এখন বাংলাদেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষিতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরো বলেন, এক সময় বিদ্যুতের কথা ভাবাই যেতো না। আজ সে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এখন আমাদের দেশের মানুষ বুঝতে পারছে বিদ্যুতে আমরা কতোটা এগিয়েছি এছাড়াও সারা বাংলাদেশে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে মানুষ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। একটা সময় বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশের উন্নয়ন চরম ভাবে বাধাগ্রস্থ হয়। কিন্তু বর্তমান সরকার সে অবস্থা থেকে উন্নয়নের মহসড়কে দাড় করিয়েছে বাংলাদেশকে। এখন মাতৃত্বকালীন ভাতা দিচ্ছে সরকার সাথে বিধবা বয়স্ক ভাতা তো আছে। একটা সময় যারা বর্তমান সরকারকে বিরোধীতা করেছে এখন তারা স্বীকার করছে বর্তমান সরকার সঠিক স্থানে আছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিলো খুধা মুক্ত দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার তার সেই স্বপ্ন তার সুযোগ্য কন্য শেখ হাসিনার সত সহাসের কারনে সফল হচ্ছে। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সচিব নাঈম আস্্ সাকীব, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা-জীবননগর) সার্কেল মো. কলিমুল্লাহ, আবৃত্তি শিল্পী নাট্যভিনেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডা. ভাস্বর বন্দোপাধ্যায়, চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা আদর্শ সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এসএম ইসরাফিল, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান। এছাড়াও চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুন্সি আবু সাইফ এর ছন্দময়ী সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুর রাজ্জাক। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদেরকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাছাড়া মেলাতে ৯৪টি স্টল এর মধ্যে জেলা পরিষদ এর স্টল প্রথম, সড়ক বিভাগের স্টলকে ২য়, চুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের স্টল ৩য় স্থান অধিকার করে। এছাড়া সকল স্টলকে শুভেচ্ছা পুরস্কার প্রদান করা হয়। পরে আলমডাঙ্গা কলা কেন্দ্রে’র আয়োজনে সংগীতানুষ্ঠান ও দর্শনা অনিবার্ণ এর আয়োজনে নাটক সুরত এর মধ্যমে শেষ হয় উন্নয়ন মেলার তৃতীয় আসর। আলমডাঙ্গা অফিস জানিয়েছে, আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিনদিন ব্যাপি উন্নয়ন মেলার সমাপনি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার সমাপনি ঘোষনা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন। গতকাল বেলা ৩টার সময় সমাপনি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুন, উপজেলা প্রকৌশলী সুপ্রিয় মুখার্জি, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল বারী, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মৃনাল কান্তি, মৎস অফিসার জেএম তৌহিদুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মৃনাল কান্তি, নির্বাচন কর্মকর্তা আবু আনসার, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, উপজেলা প. প. আব্দুল সাত্তার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মজিবর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু। সমাজ সেবা অফিসার আবু তালেবের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আলমডাঙ্গা বহুমুখী মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম খান, মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুজ্জামান। উন্নয়ন মেলায় ৩৬টি স্টল মেলার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করেছে। উপজেলা উন্নয়ন মেলায় ২০১৮ উপলক্ষে অংশগ্রহণকারী স্টলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। স্টলগুলোর মধ্যে ১ম হয়েছে প্রকৌশলী দপ্তর, উপজেলা মৎস অফিস, উপজেলা শিক্ষা অফিস, ২য় হয়েছে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অফিস, উপজেলা সমাজ সেবা অফিস, উপজেলা নির্বাচন অফিস, হারদী ইউনিয়ন পরিষদ ও সকল শাখার ব্যাংক, ৩য় হয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অফিস, উপজেলা কৃষি অফিস, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা অফিস, আলমডাঙ্গা থানা, উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস, উপজেলা মাধ্যমিক অফিস, পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চিতলা ইউনিয়ন। বাকী প্রতিষ্ঠানকে শুভেচ্ছা পুুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। ১ম পুরস্কার গ্রহণ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুপ্রিয় মুখার্জি ও হিসাব রক্ষক রবিউল ইসলাম। দামুড়হুদা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, `উন্নয়নের রোল মডেল শেখ হাসিনার বাংলাদেশ` এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে দামুড়হুদায় তিনদিন ব্যাপী শুরু হওয়া উন্নয়ন মেলা-২০১৮’র সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা ৫ টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসান। এর আগে সকাল থেকে মেলা প্রাঙ্গনে ক, খ, গ তিনটি বিভাগে সরকারের উন্নয়ন বিষয়ক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগীতা শুরু হয়। `ক` গ্রুপের প্রতিযোগীরা ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা, `খ` বিভাগের প্রতিযোগীরা ছিল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা এবং `গ` বিভাগের প্রতিযোগীরা ছিল কলেজ পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। উন্নয়ন মেলার সমাপ্তি ঘোষনার আগে চিত্রঙ্কন, রচনা প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের ও মেলায় অংশ নেওয়া ৪৪টি স্টলের মধ্যে ৩টি স্টলকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় নির্বাচন করে পুরষ্কার দেওয়া হয়। চারজন বিচারকের বিচারে মেলায় অংশ নেওয়া স্টলগুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, দ্বিতীয় স্থান লাভ করে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলার সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ও পুরষ্কার বিতরণ করেন, দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছালমা জাহান পারুল, দামুড়হুদা উপজেলা আ.লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু প্রমুখ। জীবননগর অফিস জানিয়েছে, উৎসব উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে জীবননগরে তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলার সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার জীবননগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরি স্টলের মাধ্যমে তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা শুরু হয় এবং গতকাল শনিবার বিকাল ৪টার সময় পুরস্কার বিতরণের মধ্যে দিয়ে তার সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়। এবার উন্নয়ন মেলায় দেখার মত স্টল ছিল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারনের বিভিন্ন সবজি দিয়ে তৈরি বাংলাদেশের মানচিত্র, প্রাণী সম্পদের টার্কিং পাখি, ইঞ্জিনিয়ার অফিসের তাকলাগানো উন্নয়নমূলক কাজ, পল্লী বিদ্যুতের ফ্রি সেবা, ফায়ার সার্ভিসের সেবা ও জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যানারে জীবননগরে সেচ্ছাসেবী সংগঠন বন্ধু রক্তদান কেন্দ্র ও আপসের একান্ত প্রচেষ্ঠায় ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ও ডায়েবেটিকস পরীক্ষা। এ বছর উন্নয়ন মেলায় স্টল দিয়ে প্রথম স্থান লাভ করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম রেজার সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন জীবননগর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাজী হাফিজুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েসা সুলতানা লাকী, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার আফাজ উদ্দিন, পল্লী বিদ্যুতের এজিএম মনিরুল ইসলাম ও ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সামনুর রহমান। মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, `উন্নয়নের রোল মডেল, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ` এ প্রতিপাদ্যে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিনদিন ব্যাপি উন্নয়ন মেলার সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়েছে। এবারের উন্নয়ন মেলায় আকর্ষন ও দর্শনীয় স্টল দেখিয়ে প্রথম স্থান অথিকার করে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ, দ্বিতীয় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ও তৃতীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এ ছাড়াও আটটি স্টলকে সাধারণ ও দুইটি স্টলকে বিশেষ বিজয়ী করে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি মেহেরপু-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন। গতকাল শনিবার সন্ধায় ড. শহীদ সামসুজ্জোহা নগর উদ্যানে মফিজুর রহমান মুক্তমঞ্চে জেলা প্রশাসক পরিমল সিংহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ ফরিদ আহামেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মালেক। গাংনী অফিস জানিয়েছে, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিনদিন ব্যাপি উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের গৃহীত উন্নয়ন ও অর্জন প্রান্তিক জনগণের মাঝে তুলে ধরা ও এমডিজি অর্জনে সাফল্য ও এসডিজি কার্যক্রম জনগণকে উদ্বুদ্ধ করণের লক্ষে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণীর মধ্যে দিয়ে উন্নয়ন মেলা সমাপ্ত করা হয়। গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষ্ণুপদ পালের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক, গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) কাফরুজ্জামান, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সিরাজুল ইসলাম, গাংনী উপজেলা আ.লীগের সভাপতি সাহিদুজ্জামান খোকন, মেহেরপুর জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি একেএম শফিকুল ইসলাম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন গাংনী মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ খোরশেদ আলী, গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুজ্জামান লালু ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানের শেষ দিনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে মেলায় অংশগ্রহণকারী সেরা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। এবারের মেলায় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের দিকগুলো প্রদর্শনের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য প্রথম স্থান অধিকারী করে গাংনী কৃষি অফিসকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়াও দ্বিতীয় স্থান অধিকারী করে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশে’র গাংনী অফিস ও তৃতীয় স্থান অধিকারী করে গাংনী থানাকে পুরস্কৃত করা হয়। সেইসাথে তিনদিনের উন্নয়ন মেলার সমাপ্ত ঘোষনা করা হয়।


কমেন্ট বক্স
notebook

মেহেরপুরের শেখপাড়ায় রিকশাচালক হত্যা মামলায় প্রধান আসামিসহ দুজন গ্রেপ্তার