সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের মাঝে ধান বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি রাসেল

কৃষি ভেঙে পড়লে আমাদের অর্থনীতিও ভেঙে পড়বে
  • আপলোড তারিখঃ ০৪-০৫-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের মাঝে ধান বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি রাসেল

চুয়াডাঙ্গায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উফসী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী আউশ ধান বীজ ও রসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল।


এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষি আমাদের মূল চালিকা শক্তি। এটা ভেঙে পড়লে আমাদের অর্থনীতিও ভেঙে পড়বে। এই কৃষি ব্যবস্থাকে উন্নত করতে বর্তমান বাংলাদেশ সরকার অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সমস্ত প্রণোদনা কৃষকেরা পাবে, তার মধ্যে রয়েছে ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি প্রদান করা হবে। আমাদের চুয়াডাঙ্গার খাদ্য শস্যের চাহিদা প্রায় ২ লাখ ৬২ হাজার মেট্রিক টন। যেখানে ধান ও গমের উৎপাদন ৩ লাখ ৯২ হাজার মেট্রিক টন। আমরা চুয়াডাঙ্গার চাহিদা মেটানোর পরেও অতিরিক্ত উৎপাদন করে থাকি, যা দেশের চাহিদা মেটায়। আমাদের পচনশীল খাদ্যদ্রব্যগুলো সংরক্ষণের জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করব- হিমাগারের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য। বর্তমান সরকারের কৃষকদের জন্য কাজ করার সদিচ্ছা রয়েছে। আমরাও একসাথে থেকে সরকারকে সহযোগিতা করে যাচ্ছি।’


তিনি আরও বলেন, কৃষি ফিল্ড অফিসার যারা আছেন, তারাও সমানভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন ও পর্যবেক্ষণ করছেন। আমরা যদি সবাই জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে নিজ নিজ জায়গায় স্বচ্ছ থাকি, তবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।’
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ইউএনও তিথি মিত্র বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে উচ্চফলনশীল ধানের ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের বীজ ও সারের পর্যাপ্ত মজুত করা হচ্ছে। আমাদের বর্তমান সরকার কৃষি বিভাগের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃষি আমাদের প্রধান সেক্টর। আমাদের চুয়াডাঙ্গা কৃষি চাষাবাদের জন্য খুবই উপযুক্ত। এখানে প্রায় ৬৮ হাজার ৭৩২ জন কৃষক পরিবারের সদস্য রয়েছেন। কৃষকদের উচিত উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের ফলন বৃদ্ধির মন-মানসিকতা জাগিয়ে তোলা। এই কাজে বর্তমান সরকার এগিয়ে আসছে।


তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনারা কেউ ধানের বীজ ঘরে মজুদ করবেন না। এটা যদি চাষাবাদের কাজে লাগান, তবে পরবর্তীতে এর সুফল আমরা ভোগ করব। আশা করা যায়, পরবর্তী বছরে এর সুফল আরো পাব।’
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আনিসুর রহমান জানান, এ বছর চুয়াডাঙ্গা জেলার ১২ হাজার কৃষক আউশ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৫ কেজি করে ধান বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সারসহ মোট ২০ কেজি রাসায়নিক সার বিনামূল্যে পাবেন। এই প্রণোদনার মূল লক্ষ্য কৃষকদেরকে উফসী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।



কমেন্ট বক্স
notebook

মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট