আলমডাঙ্গায় বাড়িতে ঢুকে ডাকাতির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ১০-১২ জনের একটি দলের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কাবিলনগর গ্রামে হায়াত আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এসময় বাড়ির লোকজনের চিৎকারে প্রতিবেশী ও গ্রামবাসী ছুটে এসে অভিযুক্তদের ধাওয়া করেন। পালানোর সময় রায়সা গ্রাম থেকে সজিব (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে গণপিটুনিতে তাঁর মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়।
আটক সজিব ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু থানার ফতেপুর গ্রামের খোয়াজ আলীর ছেলে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী হায়াত আলী কাবিলনগর গ্রামের মতিয়ার আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী হায়াত আলী জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ১০-১২ জনের একটি দল তাঁর বাড়িতে প্রবেশ করে। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র ছিল বলে দাবি করেন তিনি। অভিযুক্তরা বাড়ির গেটে এসে তাঁকে নাম ধরে ডাকতে থাকে এবং দরজা খুলতে বলে। দরজা না খুললে গুলি করার হুমকিও দেয় তারা।
এসময় তাঁর ছেলে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের বাড়ির লোকজন ও গ্রামবাসী এগিয়ে আসেন। পরে তাঁরা অভিযুক্তদের ধাওয়া করলে দলটি পালিয়ে যায়। এসময় রায়সা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা সজিব নামে একজনকে আটক করেন বলে জানান হায়াত আলী। খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে খাসকরা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পীযূষ সাহ পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান।
এ বিষয়ে খাসকরা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পীযূষ সাহ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি জনতার হাতে আটক সজিবকে দেখতে পান। তাঁর মাথায় আঘাতের কারণে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এসময় তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া এবং মামলা করার ব্যবস্থা করতে গ্রামবাসীর কাছে তিনজন লোক চান তিনি। তবে গ্রামবাসী এতে রাজি হননি। পরে ওসির সঙ্গে কথা বলে সজিবকে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানান তিনি।
প্রতিবেদক সরোজগঞ্জ