চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পৃথক মাদক বিরোধী অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে ৯ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। অপরজনকে মাদক সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুজনকেই সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান চালায়। রাত ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলার বালিয়াপাড়া গ্রামের পাকা রাস্তার বিটের সামনে থেকে টুটুল (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রাজাপুর-বালিয়াপাড়া গ্রামের জিনারুল ইসলামের ছেলে। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে ৯ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে টুটুলকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার সারণির ১৯(ক) অনুযায়ী সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
অন্যদিকে, গতকাল রোববার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে একই কর্মকর্তার নেতৃত্বে আরেকটি অভিযান চালানো হয়। সদর উপজেলার হায়দারপুর তালতলা গ্রামের মকবুল হোসেনের বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, মকবুল হোসেন (৪৫) মাদক সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুলিশের সামনে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছিলেন। পরে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(৫) ধারায় সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়।
আদালত মকবুল হোসেনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সমীকরণ প্রতিবেদক