জাতীয় আর্চারি ফেডারেশনের গঠিত অ্যাডহক কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চুয়াডাঙ্গার দুই ক্রীড়া সংগঠক এখলাছ উদ্দিন সুজন ও সোহেল আকরাম। গতকাল শনিবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।
ফেডারেশনের বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন না করায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮ (জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (সংশোধন) আইন ২০২৬ সহ) ২১ ধারা মোতাবেক বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি ভেঙে দিয়ে ২৭ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে আদেশ জারির ৩ মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যার স্মারক নং-৩৪.০৩.০০০০.০০০.০০৪.৫৫.০০০১.২৪.২৬।
এখলাছ উদ্দিন সুজন বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ডিএফএ) সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পেশাদার লীগ কমিটির সদস্য। এছাড়া দেশের অন্যতম পুরোনো ক্রীড়াবিষয়ক ম্যাগাজিন 'ক্রীড়ালোক (ডিজিটাল)-এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অন্যদিকে সোহেল আকরাম চুয়াডাঙ্গা আর্চারি একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা, আর্চারি ফেডারেশনের সাবেক নির্বাচিত সদস্য, চুয়াডাঙ্গা শ্যুটিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও একজন পরীক্ষিত ক্রীড়া সংগঠক।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসা সোহেল আকরাম ও এখলাছ উদ্দিন সুজনকে আর্চারি ফেডারেশনে অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ক্রীড়া প্রশাসন ও সংগঠন পরিচালনায় তাদের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ আর্চারির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।
এদিকে চুয়াডাঙ্গার বিশিষ্ট দুই ক্রীড়া সংগঠককে জাতীয় আর্চারি ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সদস্য পদে মনোনয়ন দেওয়ায় চুয়াডাঙ্গা স্পোর্টস, দামুড়হুদা স্পোর্টিং ক্লাব, দামুড়হুদা ইয়াং স্টার ক্লাবসহ জেলা-উপজেলার বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠক, শুভানুধ্যায়ী ও ক্রীড়াপ্রেমীরা অভিনন্দন জানিয়েছে এবং তাদের সফলতা কামনা করেছেন।
অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এখলাছ উদ্দিন সুজন বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া অবশ্যই সৌভাগ্যের ব্যাপার। জেলার তৃণমূলে দীর্ঘদিন কাজ করার পুরস্কারস্বরূপ জাতীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পাওয়া। এ দায়িত্ব ক্রীড়া নিয়ে কাজ করার স্বীকৃতি। চুয়াডাঙ্গার দুজনের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখার জন্য তিনি মাননীয় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক