আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ২৫ বোতলে ২ হাজার ৫০০ এমএল হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যালকোহল, নগদ টাকা ও একটি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় আটক করা হয় তিনজনকে। পরে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা থানার এসআই মো. আলমগীর কবীর সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা পৌরসভার আনন্দধাম রোডের বিবি ট্রেডার্সের দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় থানাপাড়ার মতিয়ার রহমানের মেয়ে ও হাসানুজ্জামানের স্ত্রী মোছা. জেসমিন আক্তার এ্যানিকে (৪২) পঁচিশ বোতলে ২ হাজার ৫০০ এমএল হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যালকোহল, মাদক বিক্রয়ের ৪৯০ টাকা ও একটি বাটনসহ আটক করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
এদিকে আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশ পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার দুজনকে সামারি ট্রায়াল কোর্টে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা পুলিশের সকল ইউনিটে একযোগে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বাদী এসআই মো. মেহেদী হাসান ও সঙ্গীয় অফিসারসহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলকালে আলমডাঙ্গাধীন কালিদাসপুর সাদাব্রিজ মোড়ে সুজনের চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার ওপর হতে কালিদাসপুর গ্রামের চান্দু আলীর ছেলে জুলহাসকে (৪৫) এক পিস বুপ্রেনোরফিন ইনজেকশনসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
অপর অভিযানে এরশাদপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে বাপ্পী হোসেনকে (৩২)- দুই পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গতকাল শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১ম আদালত জুলহাসকে (৪৫) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ৮(ক) ধারার অপরাধের জন্য ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ২ (দুই) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং আসামি বাপ্পী হোসেনকে (৩২) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারার অপরাধের জন্য ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আলমডাঙ্গা অফিস