রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ভাংবাড়ীয়ায় তিন বিঘা জমিতে গ্রিন হেভি হাইব্রিড শসা চাষ

সফলতার স্বপ্ন বুনছেন কৃষি উদ্যোক্তা রফিকুল
  • আপলোড তারিখঃ ১৩-০৪-২০২৬ ইং
ভাংবাড়ীয়ায় তিন বিঘা জমিতে গ্রিন হেভি হাইব্রিড শসা চাষ

আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়ীয়া গ্রামের খালের মাঠে আধুনিক পদ্ধতিতে তিন বিঘা জমিতে গ্রিন হেভি হাইব্রিড শসা চাষ করে স্বপ্ন বুনছেন কৃষি উদ্যোক্তা রফিকুল ইসলাম। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত। তিনি সময়োপযোগী সিজনাল ও অফ-সিজনাল বিভিন্ন সবজি চাষের মাধ্যমে নিজেকে একজন সফল কৃষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার চাষকৃত ফসলের তালিকায় রয়েছে শসা, গাজর, মুলা, টমেটো, মিষ্টি কুমড়া, পেপেসহ নানা ধরনের সবজি।


চলতি মৌসুমে তিনি তিন বিঘা জমিতে গ্রিন হেভি হাইব্রিড জাতের শসা চাষ শুরু করেন। জমি প্রস্তুত করে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে বেড তৈরি এবং মাচা পদ্ধতি ব্যবহার করে তিনি শসার গাছগুলোকে সঠিকভাবে লালন-পালন করছেন। এতে গাছের বৃদ্ধি ভালো হচ্ছে এবং ফলনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রফিকুল ইসলাম  জানান, তিন বিঘা জমিতে শসা চাষে এখন পর্যন্ত তার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এর মধ্যে বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক খরচ অন্তর্ভুক্ত। তবে অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক পরিচর্যার কারণে তিনি ভালো ফলনের আশা করছেন। 


তিনি আরও জানান, এই হাইব্রিড শসার একটি বড় সুবিধা হলো বীজ রোপণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে তার জমি থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ মণ শসা সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রতিদিন শসা তোলার ফলে নিয়মিত বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে, যা কৃষকের জন্য লাভজনক। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শসার দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা হওয়ায় তিনি প্রায় ৩ লাখ টাকার শসা বিক্রির আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে ভালো লাভ হবে বলেও তিনি আশা করছেন।


স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উচ্চ ফলনশীল সবজি চাষ বর্তমানে অত্যন্ত লাভজনক হয়ে উঠেছে। কৃষকদের সঠিক পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে তারা আরও ভালো ফলন ও লাভ অর্জন করতে সক্ষম হবেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত