আলমডাঙ্গায় তেল সংকটের মধ্যেই অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের দায়ে দুজনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দকৃত তেল তাৎক্ষণিকভাবে খোলা বাজারে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। একই অভিযানে একজন মোটরসাইকেল চালককে কাগজপত্রের অনিয়মের কারণে জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার উত্তরা হক ফিলিং স্টেশন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল নাঈম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে ফিলিং স্টেশনটিতে প্রায় দুই হাজার লিটার তেলের বরাদ্দ ছিল। তবে মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে তেল শেষ হয়ে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ম্যাজিস্ট্রেট সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এসময় পাম্পে তেলের কোনো মজুত না থাকলেও পৃথক স্থানে অবৈধভাবে তেল মজুদের প্রমাণ মেলে। অভিযানে উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার তাহাজ্জুদ উদ্দিনের ছেলে রনি নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫৫ লিটার এবং ঘোলদারি পাইকপাড়া গ্রামের মো. রতন মিয়ার কাছ থেকে ৫০ লিটার তেল জব্দ করা হয়। দুজনকে তেল মজুতের দায়ে ৩ হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত ১০৫ লিটার তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। এছাড়া অভিযানের সময় এক মোটরসাইকেল চালকের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল নাঈম বলেন, জ্বালানি তেল নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।-
আলমডাঙ্গা অফিস