দামুড়হুদা উপজেলার শীবনগর গ্রামে বাগানের গাছ চুরি, লুটপাট ও বাগান মালিক বাহালুল হককে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টায় শীবনগর গ্রামে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাগান মালিক বাহালুল হক বলেন, এলাকার একটি চিহ্নিত প্রতারক চক্র কথিত মাজারের নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে তার বাগান দখলের চেষ্টা করছে। গত ৯ মার্চ সকাল ৮টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত তার শীবনগর ডিসি ইকো পার্কের সামনে অবস্থিত প্রায় ১৮ বিঘা জমির আমবাগানে অনধিকার প্রবেশ করে ১১০টি গাছ কেটে নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন গাছের ডালপালা কেটে ক্ষতিসাধন করে। এতে প্রায় ১১ লাখ ২৮ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৮/১০ জনকে আসামি করে দামুড়হুদা মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় এবং আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তারা জামিনে বের হয়ে মামলা তুলে নিতে বাহালুল হককে পিস্তল ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করা হয়। এতে তিনি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়িতে থাকতে পারছেন না।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, শীবনগরের ওই বাগানে পীর একদিল শাহের কথিত মাজার আছে—এমন প্রচারণা চালিয়ে একটি মহল তার জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অথচ প্রকৃত মাজার আলমডাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ গোবিন্দপুর ও বেতবাড়িয়া গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত এবং সেখানে প্রতি বছর ওরস অনুষ্ঠিত হয়। একই ব্যক্তির দুটি মাজার হতে পারে না বলেও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে আব্দুর রউফ, আল-আমিন, হায়াত আলী, আব্দুল হাকিম, সরোয়ার হোসেন, বাবর আলী, কাবাতুল্লাহসহ স্থানীয় ভুক্তভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
দর্শনা অফিস