চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজেএমইএর সভাপতি এবং বিএনপি মনোনীত চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, ‘১৭ বছর মানুষের মধ্যে ভোট নিয়ে আতঙ্ক ছিল। আমরা এ কারণে দীর্ঘ সংগ্রাম করেছি। আমরা চায় না ভোট নিয়ে আতঙ্ক থাকুক। ভোট হবে উৎসবমুখর। এটাই আমাদের আশা।’ গতকাল শনিবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের সুটিয়ায় পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এদিন জেলা বিএনপির সভাপতি সুটিয়া ছাড়া পাথিলায় পথসভা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী আরও বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনীতি করার কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর আমাদের নামে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে। আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। আমাদের নেতা-কর্মীরা সবচেয়ে বেশি হুমের শিকার হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আমাদের নেতা-কর্মী খুন হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আমাদের নেতা-কর্মীদের জেলখানায় থাকতে হয়েছে। কারণ আমরা প্রকাশ্যে জনগণের অধিকারের এবং দাবিদাওয়ার কথা বলেছি।
একটি দলের সমালোচনা করে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষের লোকজন বলেন.. অমককে দেখেছেন, তমককে দেখলছেন এবার আমাদেরকে দেখেন। সোজা কথা আপনাদের ১৯৭১ সালে দেখা হয়ে হয়ে গেছে। আপনারা লক্ষ লক্ষ মা-বোনকে তুলে দিয়েছিলেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে। আপনারা ১৯৭১ সালে হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিলেন বলেই ৩০ লক্ষ মানুষের প্রাণ গিয়েছিল। তো নতুন করে আপনাদের দেখার সুযোগ আছে বলে আমরা মনে করি না।
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন, সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান, বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক, সহসভাপতি খাদেমুল হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বুদো, বিএনপি নেতা আবুল কাশেম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মোকলেছুর রহমান রাসেল প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক