সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি
চুয়াডাঙ্গায় মরা মুরগি ও বর্জ্য সরাসরি মাথাভাঙ্গা নদীতে ফেলে দূষণ

রাফিদ পোল্ট্রি ফার্মকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

  • আপলোড তারিখঃ ০৯-০১-২০২৬ ইং
রাফিদ পোল্ট্রি ফার্মকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

চুয়াডাঙ্গার প্রাণ হিসেবে পরিচিত মাথাভাঙ্গা নদী দূষণের অপরাধে একটি পোল্ট্রি ফার্মকে নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার ভিমরুল্লাহ এলাকায় অবস্থিত ‘রাফিদ এগ্রো, হ্যাচারি ও পোল্ট্রি ফার্ম’-এ অভিযান চালিয়ে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়। ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার ওই প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে তিনি দেখতে পান, ফার্মটির প্রাচীরের শেষপ্রান্তে মাথাভাঙ্গা নদীর জমিতে একটি পয়ঃনিষ্কাশন ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। ওই ড্রেন দিয়ে মরা মুরগি ও বিভিন্ন বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে।


বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোনো নির্দিষ্ট গর্ত বা আলাদা ব্যবস্থা না থাকায় তা মারাত্মকভাবে নদী দূষণ ও পরিবেশের বিপর্যয় ঘটাচ্ছে। পরিবেশের এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখে শারমিন আক্তার তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করেন। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল আজাদ ও মির্জা শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে সহযোগিতা করেন চুয়াডাঙ্গা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নরেশ চন্দ্র।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল আজাদ বলেন, প্রতিষ্ঠানটি উন্মুক্ত স্থানে এবং নদীতে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ এর ৬ ধারার (গ) উপধারা লঙ্ঘন করেছে। এই অপরাধে তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটি সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পর পুনরায় পরিদর্শন করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।


স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক শারমিন আক্তার বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মী ও মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এই নদীটি বাঁচাতে সক্রিয়। আমরাও এই নদী নিয়ে এখন সজাগ। আমি নিজে একটু পরিদর্শনে বের হয়েছিলাম। নদীর ওই এলাকায় গিয়ে আমি হতবাক হয়েছি। রাফিদ ফার্মটি গুরুতরভাবে পরিবেশ দূষণ করছেন। আমি বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে জানায়। তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসন থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।’



কমেন্ট বক্স
notebook

ঝিনাইদহে আত্মহত্যার হার নিয়ে উদ্বেগজনক চিত্র, এক বছরে ৩০১ জনের মৃত্যু