রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

হাইকোর্টের নির্দেশে চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগে অনিয়মের তদন্ত শুরু

দিনভর নথিপত্র পর্যালোচনা ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ
  • আপলোড তারিখঃ ৩১-১২-২০২৫ ইং
হাইকোর্টের নির্দেশে চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগে অনিয়মের তদন্ত শুরু

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অধীন স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি। হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।


খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী মো. আইনুল ইসলামের নেতৃত্বে তদন্ত দলটি দিনভর বিভিন্ন নথিপত্র পর্যালোচনা ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ করে। কমিটি জানিয়েছে, আজ বুধবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই তদন্ত কার্যক্রম চলবে। তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মান্নান এবং ডা. মো. মাবুদ রানা।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সাকিল আহম্মেদ ও মোহা. উম্মে আতাইয়া সোহানা হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন (মামলা নম্বর: ১০৭৬৬/২০২৫)। গত ৮ জুলাই হাইকোর্ট এ বিষয়ে রায় দেন। ওই রায়ের আলোকে গত ৯ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়।


তদন্তের অংশ হিসেবে অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশকারী স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিকদেরও ডাকা হয়। এসময় দৈনিক সময়ের সমীকরণের প্রতিনিধি নাজমুল সামি, দৈনিক মানবকণ্ঠ ও মাথাভাঙ্গার প্রতিনিধি মো. আব্দুল্লাহ হকসহ একাধিক সাংবাদিক তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হন। তারা প্রকাশিত সংবাদের পটভূমি তুলে ধরেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রমাণাদি কমিটির কাছে জমা দেন।


তদন্ত কমিটির সভাপতি ডা. কাজী মো. আইনুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান। সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।’
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২০ জুন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অধীনে ১৬তম গ্রেডের স্বাস্থ্য সহকারী পদে ৩৯টি শূন্য পদের বিপরীতে মোট ১৩ হাজার ৬৬৮ জন চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তবে পরীক্ষার আগের দিন রাত থেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, পরীক্ষার আগের রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় খোলা রেখে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি, পরীক্ষাকেন্দ্র ও সিট প্ল্যান একাধিকবার পরিবর্তন, পরীক্ষার মাত্র দুই দিনের মাথায় ফল প্রকাশ এবং পরে আবার সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়। সংশোধিত ফলাফলে উত্তীর্ণ প্রার্থীকে অনুত্তীর্ণ দেখানোর অভিযোগও উঠে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদে চাকরিপ্রার্থীরা পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত