রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

কার্পাসডাঙ্গায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

বৃত্তি পরীক্ষা দেওয়া হলো না শিক্ষার্থীর
  • আপলোড তারিখঃ ২৯-১২-২০২৫ ইং
কার্পাসডাঙ্গায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা দিতে পারেনি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জুনায়েদ জারিফ আদীব। গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষায় প্রবেশপত্র না পাওয়ায় সে পরীক্ষায় অংশ নিতে ব্যর্থ হয়। আদীব কোমরপুর গ্রামের আব্দুল মোমিনের ছেলে। সে জানায়, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার জন্য সহকারী শিক্ষক জাহিদের কাছে ৮০০ টাকা জমা দেয়। প্রবেশপত্র সংগ্রহের বিষয়ে গত ১০ দিন ধরে একাধিকবার যোগাযোগ করলে শিক্ষক জাহিদ তাকে ২৫ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে প্রবেশপত্র নিতে বলেন।


২৫ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ে গেলে ২৬ ডিসেম্বর আসতে বলা হয়। পরদিন বিদ্যালয়ে গেলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. জেসমিন নাহার জানান, প্রবেশপত্র এখনও আসেনি। পরে ২৭ ডিসেম্বর আদীব তার বাবা ও শিক্ষক জাহিদকে সঙ্গে নিয়ে বোর্ড অফিসে গেলে জানানো হয়- এখন আর কিছু করার নেই, কারণ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছুটিতে রয়েছেন এবং আগে যোগাযোগ করা হয়নি। ফলে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় আদীব পরীক্ষায় বসতে পারেনি। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সে।


আদীবের বাবা আব্দুল মোমিন বলেন, ছেলের পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে তারা ছোটাছুটি করলেও প্রধান শিক্ষক একবারও পরামর্শ দেননি কী করলে আদীব পরীক্ষায় বসতে পারবে। এমনকি বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসেও জানানো হয়নি। জানানো হলে তার ছেলে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারত বলে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার জানিয়েছেন।


ঘটনার পর আদীবের বাবা দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের অনুলিপি উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজারের কাছেও দেওয়া হয়েছে। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার রাফিজুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা শুরুর আগেই যদি প্রধান শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন, তাহলে প্রবেশপত্র ছাড়াই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যেত। পরে বোর্ডে আবেদন না থাকলে পরীক্ষা বাতিল হতো। তিনি অভিযোগটি তদন্ত করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওবায়দুর রহমান সোহেল বলেন, পরীক্ষার আগে বিষয়টি জানালে শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় বসানোর জন্য চেষ্টা করা যেত। তবে এখন আর কিছু করার নেই। লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সহকারী শিক্ষক জাহিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি নিজেও বোর্ডে গিয়েছিলেন এবং এ ঘটনায় গাফিলতি হয়েছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. জেসমিন নাহারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত