শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগরের সন্তোষপুর-আন্দুলবাড়ীয়া সড়কে গাছ ফেলে পরিবহনে ডাকাতি

নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট, চালককে মারধর
  • আপলোড তারিখঃ ১৯-১১-২০২৫ ইং
জীবননগরের সন্তোষপুর-আন্দুলবাড়ীয়া সড়কে গাছ ফেলে পরিবহনে ডাকাতি

জীবননগর উপজেলার সন্তোষপুর-আন্দুলবাড়ীয়া সড়কের একতারপুর ইকোপার্কের সামনে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পূর্বাশা পরিবহনে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ডাকাত দলের সদস্যরা একতারপুর ইকো পার্কের সামনে সড়কের ওপর দুটি গাছ ফেলে প্রথমে একটি পিকআপের গতিরোধ করে। ওই গাড়ির চালকের কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে পিকআপ ব্যবহার করে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পূর্বাশা পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-৫২৪১) থামানোর চেষ্টা করে। তবে বাসের চালক গাড়ি ঘুরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এসময় ডাকাত দলের সদস্যরা পরিবহনের চালক মো. ফয়সালকে লাঠি দিয়ে হাতে আঘাত করে। পরে ডাকাতরা পরিবহন থাকা যাত্রীদের নিকট থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় তারা গাড়ির দুটি গ্লাস ভাঙচুর করে।


এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুন হোসেন বিশ্বাস জানান, ভোর ৪টা পর্যন্ত জীবননগর থানা-পুলিশ ডিউটি করেছে। এরপর ফজরের আযান দিলে তারা চলে আসে। আর এই সুযোগটাই হয়ত ডাকাত দলের সদস্যরা গ্রহণ করেছে। তাছাড়া আমরা এই সড়কে পুলিশিং টহল জোরদার করেছি। তারপরও এমন ঘটনা আমাদের জন্য হতাশাজনক। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এদিকে, একই সড়কে বারবার ডাকাতি-ছিনতাইয়ের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ওই এলাকার মানুষ। আন্দুলবাড়ীয়া রাস্তার পথচারীরা বলেন, ‘কিছুদিন আগেও এই রাস্তায় গণডাকাতি হয়েছে। আজও কোনো ডাকাত দলের সদস্যরা আইনের হাতে ধরা পড়েনি, যার কারণে মাঝে মধ্যেই এই রাস্তায় ডাকাতি হয়। আমরা প্রশাসনের কাছে জোরালো দৃষ্টি আকর্ষণ করছি- এই ডাকাতদের ধরে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।’


পূর্বাশা পরিবহনের কর্তৃপক্ষ জানায়, রাতে ঢাকা থেকে রওনা দেওয়া পরিবহনগুলো মাঝরাতেই কালীগঞ্জ অবধি পৌঁছে যায়, অথচ জীবননগর অভিমুখে রওনা দিতে সাহস পায় না, ভোরের আলো ফোটা না পর্যন্ত। তারা আরও জানায়, রাতে ৩-৪টি গাড়ি একত্রে হলে তারা দলবন্ধ হয়ে রওনা দেয়। অনেক সময় কালীগঞ্জ থানার পুলিশ প্রটোকল দিয়ে কোটচাঁদপুর সীমানা পার করে দিয়ে যায়।


ঢাকাগামী পরিবহনের একাধিক চালক ও সুপারভাইজার অভিযোগ করেন, জীবননগর থানার হাইওয়েতে পুলিশ থাকলেও সংখ্যায় নগন্য। যার ফলে কোনো এক জায়গায় ডাকাতির ঘটনা ঘটলে তারা আসতে আসতে ডাকাত দলের সদস্যরা ডাকাতি করে পালিয়ে যায়। ফলে এরকম ঘটনা নিয়মিত ঘটতে দেখা যায়।



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান