বিএনপি বিজয়ী হলে চুয়াডাঙ্গায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। গতকাল শনিবার জীবননগর পৌর এলাকায় পথসভায় এ প্রতিশ্রুতি দেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত এই প্রার্থী। শনিবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত জীবননগর পৌর এলাকায় পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। এদিন বিকেলে প্রথমে জীবননগর পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীপুরে পথসভা করেন তিনি। পরে আশতলাপাড়া, কাজী টাওয়ারের সামনে, তেতুলিয়া, থানাপাড়াসহ পৌর এলাকায় পথসভা করেন তিনি।
পথসভায় মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, শত শত নির্যাতনের পরও বিএনপির একটি নেতা-কর্মী দল থেকে যায়নি। কারণ আমাদের নেতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন ইমানদার ব্যক্তি, তাই আমরা শত অত্যাচার- নির্যাতন, নিপীড়ন এবং প্রলোভনের পরও আমরা মাটি কামড়ে পড়ে থেকেছি দলের পতাকা তলে। আমরা প্রমাণ করেছি ক্ষুদ্র স্বার্থ উপেক্ষা করে বৃহত্তর স্বার্থের জন্য অপেক্ষা করলে আমরা একদিন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাব এবং আমাদের মনে আশা পূরণ করতে পারব।
তিনি আরও বলেন, অত্র এলাকার জন্য যেটা বহুদিনের দাবি, জীবননগরে যে ল্যান্ডপোর্ট বহুদিন ধরেরই হচ্ছে না, সবাই বলছে হচ্ছে না, ইনশাইল্লাহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আপনাদের রায়ে যদি দেশ পরিচালনায় দায়িত্ব পায় তাহলে অবশ্যই এটা করা হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি আরও বলেন, কৃষিভিত্তিক যে ফসল, নৃত্য-নতুন আবিষ্কার, যেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি, মৌলিক ফসল ধান, গম এগুলোর বাইরে আমরা যে চাষাবাদ করি বিশেষ করে ফল, এসব চিন্তাভাবনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমাদের দল যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায় আপনাদের সমর্থন নিয়ে তাহলে ইনশাআল্লাহ চুয়াডাঙ্গায় একটি পূর্নাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করবো।
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিক মাহমুদ মিল্টন, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর, সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু, সিনিয়র সহসভাপতি তাজুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দিন শফি, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির ইকবাল ঠান্ডু, বিএনপি নেতা খোকা, যুবদলের সাইফুল, সারোয়ার, উপজলো ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিমন প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক