সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় দুদকের গণশুনানিতে চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন

দুর্নীতি যে করে তাকে সামাজিকভাবে বয়কট করুন
  • আপলোড তারিখঃ ২৮-১০-২০২৫ ইং
চুয়াডাঙ্গায় দুদকের গণশুনানিতে চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন

দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন বলেছেন, দুর্নীতির উৎস হচ্ছে এক ধরনের রাজনীতিবিদদের দ্বারা। তাদের হাতেই লালিত হন দুর্নীতিবাজদের মধ্যকার অনেকে। বিগত সরকারের পতনের অন্যতম কারণ ছিল দুর্নীতি। এ জন্য সচেতন থাকতে হবে।’ গতকাল সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গার ডিসি সাহিত্য মঞ্চে দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে মনোনয়ন বাণিজ্যসহ অবৈধ টাকার লেনদেন বেড়ে যায়। এ জন্য এখনই সতর্ক থাকতে হবে। সঠিক লোকটিকে নির্বাচন করতে হবে। দুর্নীতি যে করে, তাকে সামাজিকভাবে বয়কট করুন।’


দুদক চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন আরও বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, তার পরিবারের সদস্যরা এবং সাবেক এমপি-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার সফল পরিণতির দিকে আমরা যেতে পারব। দুর্নীতির মামলায় অনেক আসামি দেশীয় সীমান্তের মধ্যে নেই। তারা কৗীভাবে কোন উপায়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়েছে, তা সকলেই জানে। এমনও তো হতে পারে যে তারা এই চুয়াডাঙ্গা সীমান্তই পাড়ি দিয়েছে। ফলে কে কোন দেশে অবস্থান নিয়েছে, তা আমাদেরও অজানা না।’


সাংবাদিকদের একটি অনুরোধের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলায় কার্যালয় স্থাপনের বিষয়টি নোট নিয়েছি। এ বিষয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে উপযুক্ততা যাচাই করা হবে। এটি আমাদের বিবেচনার মধ্যে থাকছে।’ গণশুনানিতে চুয়াডাঙ্গার ২৬টি দপ্তরের বিরুদ্ধে ৯৫টি অভিযোগের শুনানি হয়। এর মধ্যে ৩৩টি অভিযোগ তাৎক্ষণিক শুনানিতে নিষ্পত্তি হয়। ৭টি খারিজ হয় এবং বাকি অভিযোগগুলো সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।


গণশুনানিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন দুদকের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন, খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক জালাল আহমেদ ও চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের।


এসময় জেলার সবকটি সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং অভিযোগকারীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে এই গণশুনানি চলাকালে কয়েকজনকে পোস্টার হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পোস্টারে লেখা ছিল ‘অভিযোগ দিতে চাই, কথা বলার সুযোগ চাই।’ তাদের মধ্যে সৌরভ ও মুশফিক নামে দুই যুবক বলেন, ‘লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েছিলাম চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের একটি অনিয়মের বিরুদ্ধে। সেটি আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আমাদের কিছু বলতে দেয়া হয়নি। যদি এভাবে বাছাই করেই শুনানি হবে, তাহলে এটাতো গণশুনানি হলো না।’



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত