চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত স্পিরিট পানে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ৪ জনের মরদেহ কবরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে মরদেহ তোলার কাজ শুরু করে পুলিশ। মরদেহগুলো উত্তোলন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ ও ১২ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের ৬ জন ব্যক্তি মারা যান। এর মধ্যে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলে তাদের মৃত্যু অ্যালকোহলিক পয়জেনিংয়ে হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে উল্লেখ করে চিকিৎসকরা। অন্য চার জনের মরদেহ আগেই পৃথক সময়ে দাফন করেন পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় ১৩ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার তদন্তের স্বার্থে গত ১৪ অক্টোবর এই চারজনের মরদেহ তোলার অনুমতি প্রার্থনা করা হয়। ১৬ অক্টোবর আদালত থেকে মরদেহ তোলার অনুমতি পাওয়া গেলে গতকাল ওই চারজনের মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
যাদের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে তারা হলেনÑ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নফরকান্দি গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে খেদের আলী (৫০), খেজুরা গ্রামের মৃত দাউদ আলীর ছেলে সেলিম (৪৫), পিরোজখালি গ্রামের নবীছউদ্দিনের ছেলে লাল্টু হোসেন এবং শংকরচন্দ্র গ্রামের শহিদুল মোল্লা।
লাশ উত্তোলন কাজে নেতৃত্ব দেওয়া চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূরুল হুদা মনির বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ মেনে মরদেহগুলো উত্তোলন করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হবে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক